Connect with us
ফুটবল

আরেকটি শিরোপার হাতছানি, ফাইনালে মেসিরা

সেমি
সেমিফাইনালে সিনসিনাটিকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ঐতিহ্যবাহী ইউএস ওপেন কাপে ফাইনালে টিকিট নিশ্চিত করে মেসিদের উল্লাস। ছবি-গুগল

মেসি আসার পরে এখন পর্যন্ত হারেনি ইন্টার মায়ামি। লিগস কাপের মায়ামির জার্সিতে মেসির খেলা সাতটি ম্যাচের প্রতিটাতেই গোল পেয়েছেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

এবার আরও একটি শিরোপার হাতছানি। আজ বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) ইউএস ওপেন কাপের সেমিফাইনালে জিতা ফাইনালে উঠে গেলো মেসির ইন্টার মায়ামি। শিরোপা জয়ের সামনে এখন শুধু বাধা হয়ে আছে ফাইনাল।

মেসি জাদুতে শ্বাসরুদ্ধকর সেমিফাইনালে সিনসিনাটিকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ঐতিহ্যবাহী ইউএস ওপেন কাপে ফাইনালে টিকিট নিশ্চিত করেছে টাটা মার্টিনোর শিষ্যরা।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টায় সিনসিনাটির মুখোমুখি হয় মায়ামি। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ৬৭ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে ছিল মায়ামি।

সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে নির্ধারিত সময়ে ২-২ গোলের সমতায় ফেরে লিওনেল মেসির দল। এরপর অতিরিক্ত সময়ের খেলার শুরুতেই লিড নেয় তারা। কিন্তু সেটা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি। ১১৪তম মিনিটে সমতায় ফেরে সিনসিনাটি।

তাতে ম্যাচের ভাগ্য গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে ৫-৪ গোলের জয় নিয়ে প্রথমবারের মতো ইউএস ওপেন কাপের ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে মায়ামি।

সিনসিনাটি যুক্তরাষ্ট্রের লিগের শীর্ষ দল। আজ মায়ামির বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই প্রভাব বিস্তার করে খেলছিল ক্লাবটি। অন্যদিকে ম্যাচের শুরু থেকে খানিকটা অচেনা লাগছিল মায়ামিকে।

এই সুযোগে বেশ কয়েকটি আক্রমণ শানায় সিনসিনাটি। তবে মায়ামির রক্ষণভাগের কাছে বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল তারা। কিন্তু ১৮ মিনিটে অ্যারন বুপেনজার পাসে দারুণ এক গোলে দলকে এগিয়ে নেন লুসিয়ানো অ্যাকোস্টা।

গোল খেয়ে কিছুটা যেন এলোমেলো হয়ে যায় মায়ামি। এর মধ্যে হলুদ কার্ড দেখেন জর্দি আলবা। প্রথমার্ধে আর গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে ওহাইওর ক্লাবটি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচে ব্যবধান বাড়ায় সিনসিনাটি। ৫৩তম মিনিটে ব্রান্ডন ভাসকুয়েজের গোলে ম্যাচে নিজেদের অবস্থানটা আরও শক্ত করে সিনসিনাটি।

মায়ামির ম্যাচে ফেরার গল্পের শুরু ৬৮তম মিনিটে। মেসির নেওয়া ফ্রি-কিকে হেড নিয়ে প্রতিপক্ষের জালে জড়ান লিওনার্দো কাম্পানা। আর ব্যবধান কমাতে পেরে মিয়ামি যেন নতুন করে জেগে ওঠে। ম্যাচেও কিছুটা প্রাণ ফেরে।

এরপর ৯০ মিনিটে আর গোলের দেখা পায়নি মায়ামি। তবে অতিরিক্ত সময়ে মিয়ামির ভাগ্যের চাকা ঘুরে। আবারও মেসির অ্যাসিস্টে গোলের দেখা পান কাম্পানা। ২-২ গোলে সমতায় ফেরে মায়ামি। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

অতিরিক্ত সময়ের ৩ মিনিটের মাথায় ফের বাজিমাত করে মায়ামি। বেঞ্জামিন ক্রেমাশির পাসে ডি-বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া শটে মায়ামিকে ৩–২ গোলে এগিয়ে দেন জোসেফ মার্টিনেজ।

ম্যাচের নাটকীয়তা তখনও বাকি। মায়ামি এগিয়ে যাওয়ার ১১ মিনিটের মাথায় গোলের দেখা পেয়ে যায় সিনসিনাটি। ১১৪তম মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর থেকে বল ‘ক্লিয়ার’ করতে পারেননি মায়ামির ডিফেন্ডার।
আর সেই সুযোগে ডান পায়ের বাঁকানো শটে গোল করে ম্যাচ আরও জমিয়ে তোলেন সিনসিনাটির জাপানি অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ইয়ুয়া কুবো।

অতিরিক্ত সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। পেনাল্টি শ্যুটআউটে মায়ামির ৫ জনই গোলের দেখা পান। ব্যর্থ হন সিনসিনাটির নিক হাগল্যান্ড।

তাতে ৫-০ ব্যবধানের জয় নিয়ে আরেকটি ফাইনালের মঞ্চে পা রাখে ডেভিড বেকহ্যামের মালিকানাধীন দলটি।

আরও পড়ুন : ছুটি শেষে অনুশীলনে ফিরেছেন মাহমুদুল্লাহ

ক্রিফোস্পোর্টস/২৪আগস্ট২৩/এমএইচ

Click to comment

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Focus

More in ফুটবল