
স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল জানিয়েছেন, বার্সেলোনার হয়ে চোট পাওয়ার পর তিনি আশঙ্কা করেছিলেন আসন্ন বিশ্বকাপে হয়তো খেলতে পারবেন না। সে সময় চোটটি গুরুতর না হওয়ার জন্য প্রার্থনাও করেছিলেন তিনি।
গত ২২ এপ্রিল লিগের এক ম্যাচে সেল্তা ভিগোর বিপক্ষে খেলতে গিয়ে পায়ে অস্বস্তি অনুভব করেন ইয়ামাল। গোল করার পর উদযাপনের সময়ই তিনি ডাগআউটের দিকে ইঙ্গিত দেন। পরে চিকিৎসা নেওয়ার পরও আর মাঠে থাকতে পারেননি।
পরদিন পরীক্ষার পর জানা যায়, তার বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট লেগেছে। এর ফলে মৌসুমের বাকি ম্যাচগুলোতে আর খেলা হয়নি তার।
বর্তমানে ১৮ বছর বয়সী এই ফুটবলার স্পেন দলের সঙ্গে বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে যোগ দিয়েছেন। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
স্পেনের ফুটবল ফেডারেশনের প্রকাশিত এক ভিডিওতে ইয়ামাল বলেন, চোট পাওয়ার মুহূর্ত থেকেই তিনি চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন।
তার মতে, “আমি শুধু চাইছিলাম চোটটা গুরুতর না হোক। মনে হচ্ছিল হয়তো পেশিতে সামান্য টান লেগেছে। কারণ বিশ্বকাপ খুব কাছেই ছিল। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট সম্পর্কে আমি জানতাম, যদিও এর আগে কখনও এমন সমস্যায় পড়িনি।”
তিনি আরও বলেন, “আমার ভয় ছিল চোটটা হয়তো গুরুতর হতে পারে কিংবা পরে আবার ফিরে আসতে পারে। তাহলে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ হারাতে হতো।”
প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন ইয়ামাল। অল্প বয়সেই নিজেকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি। তাই তাকে ঘিরে সমর্থকদের প্রত্যাশাও অনেক বেশি। তবে এই চাপকে ইতিবাচকভাবেই দেখেন স্পেনের এই ফরোয়ার্ড।
ইয়ামাল বলেন, “প্রত্যাশা বেশি থাকলে আমি আরও ভালো খেলতে চেষ্টা করি। নিজের খেলাকে আরও উন্নত করার সুযোগ পাই। আমি এই চ্যালেঞ্জ উপভোগ করি।”
তিনি জানান, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ শেষ হওয়ার পর থেকেই বিশ্বকাপের অপেক্ষায় ছিলেন দলের সবাই।
ইয়ামালের মতে, “আমরা সবাই এই মুহূর্তটির জন্য অপেক্ষা করছিলাম। বিশ্বকাপে খেলতে নামার জন্য আমরা খুবই উচ্ছ্বসিত। ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে মাঠে নামব এবং সেরা ফল অর্জনের জন্য লড়াই করব।”
আগামী ১৫ জুন কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে স্পেন। তার আগে প্রস্তুতি ম্যাচে বৃহস্পতিবার ইরাক এবং ৯ জুন পেরুর মুখোমুখি হবে ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ক্রিফোস্পোর্টস/১জুন২৬/টিএ






















