
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশ সময় রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে শুরু হবে ম্যাচটি। ফাইনালের আগে দর্শক ও ক্রিকেট বিশ্লেষকদের আলোচনার বড় বিষয় হয়ে উঠেছে উইকেটের ধরন।
ভারতীয় একটি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ফাইনালের জন্য মিশ্র মাটির উইকেট তৈরি করা হয়েছে। এতে লাল মাটির পরিমাণ বেশি এবং কালো মাটির পরিমাণ তুলনামূলক কম রাখা হয়েছে।
লাল মাটির উইকেটে সাধারণত বল ব্যাটে ভালো আসে এবং বাউন্সও কিছুটা বেশি থাকে। ফলে ব্যাটারদের শট খেলতে সুবিধা হয়। একই সঙ্গে বোলাররাও কিছুটা সহায়তা পেতে পারেন।
জানা গেছে, এই ধরনের উইকেটে এর আগেও একটি ম্যাচ হয়েছিল। গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকা ও কানাডার ম্যাচ একই পিচে অনুষ্ঠিত হয়। সেই ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ৫ উইকেটে ২১৩ রান করেছিল। জবাবে কানাডা ৮ উইকেটে ১৫৬ রানে থেমে যায়।
সূত্রের দাবি, ফাইনালের উইকেট এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে কোনো দল বাড়তি সুবিধা না পায়। দুই ইনিংসেই প্রায় সমান সুযোগ থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভারতের আগের কিছু অভিজ্ঞতাও ভূমিকা রেখেছে। এই মাঠেই ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে কালো মাটির উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেছিল ভারত। কালো মাটির পিচ তুলনামূলক ধীর হওয়ায় ব্যাটারদের জন্য রান করা কঠিন হয়ে গিয়েছিল।
চলতি বিশ্বকাপেও সুপার এইট পর্বে কালো মাটির উইকেটে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছিল ভারত। সেই অভিজ্ঞতার পর ফাইনালের উইকেট নিয়ে সতর্ক হয়েছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড।
গ্রুপ পর্বে কয়েকটি ম্যাচের উইকেট নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিল ভারতীয় দলের ম্যানেজমেন্ট। এরপর বোর্ডের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি পাঠিয়ে উইকেট প্রস্তুতির বিষয়টি সরাসরি তদারকি করা হয়। স্থানীয় কিউরেটরদের সঙ্গে আলোচনা করেই ফাইনালের পিচ তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে এমন একটি উইকেট প্রস্তুত করা হয়েছে, যেখানে ব্যাটার ও বোলার দুই পক্ষই সুযোগ পেতে পারে। এখন দেখার বিষয়, ফাইনালের দিনে কোন দল এই উইকেটকে ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারে।
ক্রিফোস্পোর্টস/৭মার্চ২৬/টিএ





















