
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এবারের আসরে প্রথম দিনেই তিনটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ দেখেছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। তবে বিশ্বকাপের চতুর্থ ম্যাচেই দেখা গেছে ঐতিহাসিক লড়াই। যা বদলে দিয়েছে গ্রুপ-ডি-এর সমীকরণ।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) চেন্নাইয়ের এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় আফগানিস্তান ও নিউজিল্যান্ড। গত বিশ্বকাপের স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়ে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা রশিদ খানের দলের দিকেই বাজি ধরেছিলেন, কারণ আগের আসরে কিউইদের ৮৪ রানে বিধ্বস্ত করেছিল আফগানরা।
এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তান ১৮২ রানের এক চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করায়। পরিসংখ্যানও বলছিল, টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৮০ বা তার বেশি রান করার পর আফগানিস্তান কখনও হারেনি। কিন্তু সেই দীর্ঘদিনের ইতিহাস ভেঙে দিয়ে এক অবিশ্বাস্য জয় ছিনিয়ে নেয় নিউজিল্যান্ড।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড। ঐতিহাসিক এই জয়ে মূল ভূমিকা পালন করেন ওপেনার টিম সাইফার্ট। ৪২ বলে ৬৫ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলে তিনি দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন এবং ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নেন।
খাদের কিনারায় আফগানিস্তান
নিউজিল্যান্ডের কাছে এই হারের পর রশিদ খানের দলের সামনে সুপার-৮-এ যাওয়ার পথ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। গ্রুপ-ডি-কে বলা হচ্ছে এবারের আসরের ‘গ্রুপ অব ডেথ’। যেখানে রয়েছে নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কানাডার মতো দল।
নিয়ম অনুযায়ী, এই গ্রুপ থেকে মাত্র দুটি দল পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার সুযোগ পাবে।
কিউইদের কাছে পয়েন্ট হারানোয় আফগানিস্তানের সামনে এখন সমীকরণ অত্যন্ত স্পষ্ট— যেকোনো মূল্যে তাদের দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাতেই হবে। নয়তো গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হবে লড়াকু এই দলটিকে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানো মোটেও সহজ হবে না, কারণ প্রোটিয়ারা এবারের শিরোপা জয়ের অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার।
অঘটনের শঙ্কায় ক্রিকেট বিশ্ব
আফগানিস্তান যদি এবার গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে যায়, তবে তা হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় অঘটন। ২০২৪ সালের বিশ্বকাপে তারা অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছিল। যদিও সেই সেমিফাইনালে এই দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেই ৯ উইকেটে হেরে তাদের স্বপ্নভঙ্গ হয়
ক্রিফোস্পোর্টস/৮ফেব্রুয়ারি২৬/এনজি




























