
বল হাতে আরো একবার ঝলক দেখালেন নাহিদ রানা। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে গতি ও বাউন্সারে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটারদের রীতিমতো পরাস্ত করেছেন এই পেসার। গতি ও বাউন্সারের পাশাপাশি সঠিন লাইন ও লেন্থে বল করে পেছেন সাফল্যও। সফরকারী ইনিংসে ধস নামিয়ে তুলে নিয়েছেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফার।
রানা ১০ ওভারে ১ মেডেনসহ ৩২ রান দিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন। তার ৬০টি ডেলিভারির মধ্যে ৪৩টিই ছিল ডট। তাতে নিউজিল্যান্ডকে দুইশোর আগেই আটকে দিতে সক্ষম হয় টাইগাররা। পরবর্তীতে তানজিদ-শান্তদের ফিফটিতে সহজেই ৬ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে লাল-সবুজের দল।

গতি ও বাউন্সারে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটারদের পরাস্ত করেন রানা। ছবি- বিসিবি
বাংলাদেশের জয়ের পেছনে বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন রানা। ম্যাচশেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ওয়ানডেতে দ্বিতীয়বার ফাইফার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে রানা বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বেশ ভালো লাগছে।’
প্রথম ম্যাচে বল হাতে সুবিধা করতে পারেননি রানা। তবে আজ নিজের চেনা রূপে ফিরেছেন পেসার। আজকের সাফল্যের কারন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বেশিকিছু চিন্তা করিনি যে আজকে অনেক কিছু করতে হবে। আগের ম্যাচে এক্সিকিউট হয়নি, ভালো জায়গায় বোলিং করতে পারিনি। আজকে এক্সিকিউট হয়েছে, ভালো জায়গায় বোলিং করতে পেরেছি, তাই আলহামদুলিল্লাহ সফল হয়েছি।’
প্রথম ম্যাচে এক উইকেট পেলেও বেশ খরুচে ছিলেন রানা। তবে আজকের ম্যাচে উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি বেশ কিপটে বোলিং করেছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে রানা বলেন, ‘আসলে আগের ম্যাচে যেটা হয়ে গেছে সেটা নিয়ে চিন্তা করিনি। সেখানে হওয়া ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়েছি, আগের ম্যাচের ভুলগুলো আজ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছি এবং ভালো জায়গায় বোলিং করার চেষ্টা করেছি।’
এদিন নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের অষ্টম ওভারে বোলিংয়ে এসে অসাধারণ এক ইয়র্কারে হেনরি নিকোলসকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলে প্যাভিলিয়নে পাঠান রানা। পরের ওভারেই তার দুর্দান্ত এক বাউন্সার ঠিকমতো খেলতে না পেরে পয়েন্টে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন উইল ইয়াং। ম্যাচের ২৯তম ওভারে তার বল ঠিকমতো টাইমিং করতে না পেরে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মুহাম্মদ আব্বাস। এরপর নিজের নবম ওভারে ফক্সক্রফট এবং শেষ ওভারব জেডন লেনক্সকে ফিরিয়ে ফাইফার পূর্ণ করেন এই গতিতারকা।
ক্রিফোস্পোর্টস/২০এপ্রিল২৬/বিটি



















