Connect with us
ক্রিকেট

উসমান খানের সেঞ্চুরিতে মিরপুরে বিপিএলের নতুন রেকর্ড

উসমান খানের সেঞ্চুরি। ছবি- ক্রিকইনফো

বিপিএলের এবারের আসরে শুরু থেকেই নিয়মিত বড় রান উঠলেও সেঞ্চুরির দেখা পাওয়া যাচ্ছিল না। তবে এবার টুর্নামেন্টের সপ্তম ম্যাচে এসে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের ওপেনার ওসমান খানের ব্যাগ থেকে দেখা গেল কাঙ্খিত তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার। এদিন তিনি ছয়-চারের বন্যায় শীতের দুপুরে শের-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের পরিবেশ গরম করে তুলেছেন একাই।

১৩ চার ও ৬ ছক্কার মারে ৬২ বলে ১২৩ রানের একটি ঝড়ো ইনিংস খেলেন উসমান খান। আর এতেই ২১৯ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ফলে বিপিএলের ইতিহাসে মিরপুর শের-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়ে ফেলল মোহাম্মদ মিথুনের দল। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ছুড়ে দিল এই মাঠে বিপিএলের সব থেকে বড় রানের লক্ষ্য।

এর আগে ২০২০ সালে মিরপুরে সর্বোচ্চ ২১৮ রানের রেকর্ড গড়েছিল তৎকালীন খুলনার ফ্র্যাঞ্চাইজি। কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে এমন বড় সংগ্রহ করেছিল তারা। তবে সকল মাঠের হিসেব করলে এটাই বিপিএলের সব থেকে বড় সংগ্রহ নয়। কারণ বিপিএলে বেশি রান উঠতে দেখা যায় চট্টগ্রামে। ২০১৯ সালে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ২৩৯ রানের সংগ্রহ করেছিল রংপুর। সেটি এখন পর্যন্ত বিপিএলের সেরা দলীয় ইনিংস।



আরও পড়ুন:

» ছেলের খুশির জন্য তাসকিনের ৭ উইকেটের কীর্তি

» ভারত টেস্টে আবারও ক্যাচ বিতর্ক, বিভক্ত ক্রিকেট বোদ্ধারা

এদিকে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১৪ রানে গুটিয়ে গেছে দুর্বার রাজশাহী। শুরুতে মোহাম্মদ হারিস বাদে আর কেউ প্রতিরোধ গড়তে পারেনি। তিনি খেলেন দলের সর্বোচ্চ ১৫ বলে ৩২ রানের ইনিংস। চট্টগ্রামের হয়ে ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন আরাফাত সানি এবং আলিস ইসলাম।

এর আগে বোলিংয়ে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে আগের দিন প্রতিপক্ষের ৭ উইকেট তুলে নিয়ে রেকর্ড গড়া তাসকিন আহমেদ আজও ছিলেন সফল। মাত্র ২২ রান খরচায় তিনি শিকার করেন ২ উইকেট। তাসকিন ছাড়া বাকি সকলেই খেয়েছেন বেধড়ক মার। কেবল সোহাগ গাজী দিয়েছেন ওভারপ্রতি ১০-র কিছুটা কম রান। বাকি সকল বোলার খরচ করেছেন প্রতি ওভারে ১১-র বেশি রান।

এদিন ম্যাচের শুরুতেই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনের উইকেট হারিয়ে ধাক্কায় খায় চট্টগ্রাম। ইমন ডাক মারার পর গ্রাহাম ক্লার্ককে নিয়ে ১২০ রানের জুটি করেন ওসমান খান। ক্লার্ক খেলেন ২৫ বলে ৪০ রানের একটি দারুণ ইনিংস। এরপর তিনি ফিরে গেলে মিথুন ১৫ বলে করেন ২৮ রান। আর শেষ দিকে হায়দার আলী করেন ৮ বলে ১৯ রান।

ক্রিফোস্পোর্টস/৩জানুয়ারি২৫/এফএএস

Crifosports announcement

Focus

More in ক্রিকেট