
চলমান নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ পারফরম্যান্স করেছে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচে দুই জয় নিয়ে এখনো সেমিফাইনালের লড়াইয়ে টিকে আছে টাইগ্রেসরা। অস্ট্রেলিয়া-ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার মতো শক্তিশালী দলগুলোর সঙ্গে একই গ্রুপে থেকেও সেমিফাইনালে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।
বিশ্বকাপে দুই গ্রুপের ভাগ হয়ে মোট ১২টি দল খেলছে। তবে এই টুর্নামেন্টে নেই কোনো কোয়ার্টার ফাইনাল পর্ব। গ্রুপ পর্ব থেকেই সরাসরি সেমিফাইনাল নিশ্চিত করবে চারটি দল। অর্থাৎ প্রতিটি গ্রুপের দুই শীর্ষ দল মিলিয়ে চারটি দল সেমির টিকিট পাবে। আইসিসির এমন নিয়মে ছোট দলগুলোর সেমিতে যাওয়ার সুযোগ খুবই কম। এমনকি কয়েকটি বড় দলকেও গ্রুপ পর্বেই বিদায় নিতে হবে।
বাংলাদেশ ইতোমধ্যে তিন ম্যাচ খেলেছে। যার মধ্যে প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডস এবং তৃতীয় ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়েছে তারা। মাঝে একটি ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেছে তারা। সবমিলিয়ে ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চারে অবস্থান করছে বাংলাদেশ।
এই গ্রুপে ৪ ম্যাচে চার জয় নিয়ে এরই মধ্যে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়া। আর পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডস ইতোমধ্যে বিদায় নিয়েছে। সেমিফাইনালের বাকি একটি স্পটের জন্য লড়বে বাংলাদেশ, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশের পরের দুই ম্যাচ ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেই। ফলে সেমিফাইনালে যাওয়ার জন্য সবচেয়ে সহজ সমীকরণ হচ্ছে দুই ম্যাচেই জয় পাওয়া।
বাংলাদেশের পরের ম্যাচ ভারতের বিপক্ষে। তবে ভারতের কাছে হেরে গেলেও শুধু দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় নিয়েও সেমিতে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। যদি দক্ষিণ আফ্রিকা নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে দেয়, তাদের ৬ পয়েন্ট হবে। আর ভারত যদি বাংলাদেশকে হারায় তাদেরও ৬ পয়েন্ট হবে।
তবে শেষ ম্যাচে যদি অস্ট্রেলিয়ার কাছে ভারত হেরে যায় এবং বাংলাদেশ যদি দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাতে পারে তখন তিনটি দলেরই ৬ পয়েন্ট হবে। তখন সেমিতে ওঠার জন্য নির্ভর করতে হবে নেট রান রেটের। তাই পরের দুই ম্যাচে নেট রান রেটের দিকে নজর দিতে হবে জ্যোতিদের। তাহলে সেমিতে যাওয়ার দারুণ সুযোগ থাকবে।
আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চতুর্থ ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এরপর ২৮ জুন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে প্রোটিয়া নারীদের মোকাবিলা করবে টাইগ্রেসরা।
ক্রিফোস্পোর্টস/২৫জুন২৬/বিটি





















