জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ১৩ রানের হার এবং সিরিজ খোয়ানোর পর নিজের ব্যাটিং নিয়েই আক্ষেপ করলেন তানজিদ হাসান। তাঁর মতে, তিনি এবং তাওহিদ হৃদয়ের কেউ একজন যদি শেষ পর্যন্ত উইকেটে থাকতে পারতেন, তাহলে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যেত। দুই ব্যাটারের অর্ধশতক ইনিংস বড় না হওয়াকেই হারের প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন তিনি।
২৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্তর উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এরপর তানজিদ ও হৃদয় ৮৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে আবারও ম্যাচে ফেরান। তানজিদ ৫৭ রান করে আউট হন। এরপর হৃদয়ও দারুণ খেলতে খেলতে অর্ধশতক পূর্ণ করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। পরে নুরুল হাসান সোহান ও মেহেদী হাসান মিরাজ চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ১৩ রানের হার এড়াতে পারেনি বাংলাদেশ।
ম্যাচ শেষে তানজিদ বলেন, তিনি ও হৃদয় দুজনই ভালোভাবে থিতু হয়েছিলেন। তাই তাঁদের একজনের অন্তত শেষ পর্যন্ত ব্যাট করা উচিত ছিল। তাঁর ভাষায়, দুজনই পঞ্চাশ রান করার পর আউট হয়ে যাওয়াই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে জিম্বাবুয়ের বেন কারান শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ব্যাট করে দলের জয় নিশ্চিত করেছেন। তানজিদের মতে, দুই দলের ইনিংসের মধ্যে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় পার্থক্য।
এই হারে টানা চারটি একদিনের সিরিজ জয়ের ধারাও থেমে গেল বাংলাদেশের। একই সঙ্গে জিম্বাবুয়ের মাটিতে টানা দ্বিতীয় একদিনের সিরিজ হারল তারা। একমাত্র টেস্টের পর প্রথম দুই একদিনের ম্যাচেও হেরে সফরটি এখন পর্যন্ত হতাশারই।
তবে সামনে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দেখছেন তানজিদ। তাঁর আশা, শনিবার সিরিজের শেষ একদিনের ম্যাচে ভালো খেলতে পারলে সেটি শুধু একটি জয়ই এনে দেবে না, আগামী টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগে দলের আত্মবিশ্বাসও বাড়াবে। তাঁর মতে, ব্যাটিং, বোলিং ও মাঠে সবার সম্মিলিত ভালো খেলাই এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।
ক্রিফোস্পোর্টস/১০জুলাই২৬/টিএ



