ইনিংসের শেষদিকে আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে সিলেট টাইটান্স। ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান তুলেছে দলটি। শেষ তিন ওভারের উড়ন্ত ব্যাটিংয়েই মূলত ম্যাচে বড় সংগ্রহ পায় সিলেট। জয়ের জন্য ঢাকার প্রয়োজন ২০ ওভারে ১৭৪ রান।
বিসিবির সংশোধিত সূচিতে আজ বৃহস্পতিবার সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে টস জিতে সিলেটকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ঢাকা। শুরুটা অবশ্য একেবারেই ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। দলীয় ১৫ রানে ওপেনার রনি তালুকদার আউট হন। এরপর ওয়ানডাউনে নামা অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজও ইনিংস বড় করতে পারেননি। তাসকিন আহমেদের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
চাপের মধ্যে সিলেটকে এগিয়ে নেন সায়েম আইয়ুব ও পারভেজ হোসেন ইমন। দুজন মিলে গড়েন ৬৪ রানের জুটি। তবে জুটি ভাঙার পর দ্রুতই ছন্দ হারায় ব্যাটিং। সায়েম ৩৪ বলে ২৯ রান করে আউট হন। পরের ওভারেই বিদায় নেন ইমনও। আগের দুই ম্যাচে ফিফটি করা এই ওপেনার এবার ৩২ বলে ৪৪ রানে থামেন।
মিডল অর্ডারে আফিফ হোসেন ধ্রুব বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৬.৫ ওভারে তাঁর বিদায়ের সময় সিলেটের সংগ্রহ ছিল ১২২। এখান থেকেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন ওমরজাই ও ইথান ব্রুকস। শেষ ১৯ বলে এই জুটিতে আসে ৫১ রান। ঢাকার ফিল্ডারদের কয়েকটি সহজ ক্যাচ মিস সেই কাজ আরও সহজ করে দেয়।
বিশেষ করে সালমান মির্জার এক ওভারে ওমরজাই তোলেন ২২ রান। শেষ পর্যন্ত ২৪ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করে অপরাজিত থাকেন আফগান অলরাউন্ডার। তাঁর ইনিংসে ছিল দুর্দান্ত পাওয়ার হিটিং। ব্রুকসও কার্যকর ভূমিকা রাখেন, ৬ বলে করেন ১৩ রান।
ঢাকার বোলারদের মধ্যে সালমান মির্জা দুটি উইকেট নিলেও শেষদিকে রান দিয়ে বসেন তিনিও। তাসকিন আহমেদ, সাইফ হাসান ও সাইফউদ্দিন একটি করে উইকেট শিকার করেন। তবে শেষের ঝড়ে তাসকিন ও সালমান দুজনই চার ওভারে ৪৬ রান করে দেন।
সব মিলিয়ে শেষ মুহূর্তের ব্যাটিং ঝাঁজেই ঢাকা ক্যাপিটালসের সামনে ১৭৪ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে সিলেট টাইটান্স।
ক্রিফোস্পোর্টস/১জানুয়ারি২৬/টিএ
