
নতুন মৌসুমেও নিজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশী। মাত্র ১৫ বছর বয়সেই এমন আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করে আবারও আলোচনায় তিনি। নিজের জন্মদিনের তিন দিনের মধ্যেই মাঠে নেমে খেললেন ঝড়ো এক ইনিংস, যা দলকে এনে দিয়েছে সহজ জয়।
চেন্নাইয়ের বিপক্ষে আগে ব্যাট করে খুব বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি প্রতিপক্ষ। ১২৭ রানেই গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস। শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে ম্যাচে আধিপত্য ধরে রাখে রাজস্থান রয়্যালসের বোলাররা।
রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল রাজস্থানের ব্যাটিং। আর সেই আক্রমণের নেতৃত্ব দেন সূর্যবংশী। ইনিংসের শুরুটা যদিও তার জন্য ভালো ছিল না। প্রথম বলেই ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন, কিন্তু ফিল্ডারের হাত ফসকে জীবন পান। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
পাওয়ার প্লের ভেতরেই ম্যাচের চিত্র বদলে দেন এই তরুণ। মাত্র ১৫ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৭ বলে ৪টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন। তার এই ইনিংসের ওপর ভর করেই ১৩তম ওভারের প্রথম বলেই জয় নিশ্চিত করে রাজস্থান। হাতে তখনো ৪৭ বল বাকি ছিল।
তার ব্যাটিংয়ের সময়ই স্পষ্ট হয়ে যায়, প্রতিপক্ষের বোলারদের ওপর পুরোপুরি চাপ তৈরি করেছেন তিনি। বিশেষ করে পাওয়ার প্লেতে তার মারমুখী ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তোলে দল। মাত্র ৬ ওভারে ৭০ রান তুলে ফেলে রাজস্থান, যা ম্যাচের ফল অনেকটাই নির্ধারণ করে দেয়।
ম্যাচ শেষে সূর্যবংশী বলেন, শুরুতে উইকেটে বল ঠিকভাবে আসছিল না। তবে কিছু সময় পর ব্যাটিং করা সহজ হয়ে যায়। পাওয়ার প্লেতে বড় শট খেলার পরিকল্পনাই ছিল বলে জানান তিনি।
দলের কাছ থেকে পাওয়া সমর্থনের কথাও তুলে ধরেন এই তরুণ ব্যাটার। তার ভাষায়, তাকে স্বাভাবিক খেলা খেলতে বলা হয়েছে এবং পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে। এই সমর্থনই তাকে আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে সাহায্য করছে।
গত আসরেও অল্প বয়সে আইপিএলে অভিষেক করে নজর কাড়েন সূর্যবংশী। মাত্র সাত ম্যাচ খেলেই আড়াইশর বেশি রান করেছিলেন তিনি। এবার নতুন মৌসুমের শুরুতেই আবারও প্রমাণ করলেন, তিনি শুধু সম্ভাবনাময় নন, বড় মঞ্চে নিজেকে মেলে ধরার মতো সামর্থ্যও রাখেন।
ক্রিফোস্পোর্টস/৩১মার্চ২৬/টিএ





















