
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জিততে পারেনি রাজস্থান রয়্যালস। তবে পুরো আসরে নিজের ব্যাটিং দিয়ে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছেন দলের তরুণ ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী। আসর শেষে একাধিক ব্যক্তিগত পুরস্কার জিতে স্মরণীয় একটি মৌসুম কাটিয়েছেন তিনি।
মাত্র ১৫ বছর বয়সে ১৬ ইনিংসে ৭৭৬ রান করেছেন সূর্যবংশী। তার আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে রাজস্থান পৌঁছে যায় প্লে-অফের দ্বিতীয় বাছাইপর্বে। সেখানে গুজরাট টাইটান্সের কাছে হেরে ফাইনালে ওঠার সুযোগ হারায় দলটি।
ফাইনালে খেলতে না পারার হতাশা থাকলেও মৌসুম শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিলেন সূর্যবংশী। তিনি সেরা মূল্যবান খেলোয়াড়, সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক এবং সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন। এর পাশাপাশি মৌসুমের দ্রুততম ব্যাটার ও সবচেয়ে বেশি ছক্কার পুরস্কারও গেছে তার হাতে।
এই মৌসুমে সূর্যবংশী এমন একটি কীর্তি গড়েছেন, যা আগে কেউ করতে পারেননি। তিনিই প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে একই মৌসুমে সেরা মূল্যবান খেলোয়াড় এবং সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতলেন।
ব্যাট হাতে তিনি ছিলেন সবচেয়ে ধারাবাহিকদের একজন। ২০১১ সালে ক্রিস গেইলের পর প্রথম ব্যাটার হিসেবে এক মৌসুমে রান সংগ্রহ এবং আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের হারে সবার ওপরে থেকে আসর শেষ করেছেন। সবচেয়ে বেশি ছক্কার তালিকাতেও নতুন রেকর্ড গড়েছেন তিনি। গেইলের ৫৯ ছক্কার রেকর্ড ভেঙে সূর্যবংশী মেরেছেন ৭২টি ছক্কা।
অন্যদিকে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির পুরস্কার জিতেছেন গুজরাট টাইটান্সের পেসার কাগিসো রাবাদা। ১৭ ম্যাচে ২৯ উইকেট নিয়ে তিনি এই সম্মান অর্জন করেন। এটি তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির পুরস্কার।
পুরস্কার গ্রহণের পর সূর্যবংশী বলেন, এই অর্জনে তিনি খুবই আনন্দিত। তবে সবার সামনে কথা বলতে গিয়ে কিছুটা চাপও অনুভব করেছেন। আগামী মৌসুমেও ভালো খেলার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।
তরুণ এই ব্যাটার বলেন, এবারের আসর থেকে তিনি অনেক কিছু শিখেছেন। চাপের ম্যাচে কীভাবে খেলতে হয়, ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজের পরিকল্পনা বদলাতে হয় এবং দলের প্রয়োজন অনুযায়ী দায়িত্ব নিতে হয়, এসব বিষয় তার জন্য বড় শিক্ষা হয়ে এসেছে।
ফিটনেস নিয়েও কাজ করার কথা জানিয়েছেন সূর্যবংশী। দীর্ঘ সময় ক্রিকেট খেলতে হলে নিজেকে চোটমুক্ত রাখতে হবে এবং শারীরিক সক্ষমতা আরও বাড়াতে হবে বলেও মনে করেন তিনি।
ক্রিফোস্পোর্টস/১জুন২৬/টিএ























