চলতি বিপিএলে শরিফুল ইসলামের পারফরম্যান্সই বলে দিচ্ছে তাসকিনের সর্বোচ্চ রেকর্ড ভাঙতে খুব বেশি উইকেটের প্রয়োজন নেই। ১১ ম্যাচে ২৪ উইকেট, গড় ৯.৫৪, ইকোনমি ৫.৬। সংখ্যাগুলোই বলে দিচ্ছে, চট্টগ্রাম রয়্যালসের এই বাঁহাতি পেসার কতটা দুর্দান্ত সময় পার করছেন।
চট্টগ্রামকে ফাইনালে তোলার পথে শরিফুল ছিলেন সবচেয়ে ধারাবাহিক বোলার। সেই সঙ্গে সামনে এসে দাঁড়িয়েছে বিপিএলে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড। রেকর্ডটি এখন তাসকিন আহমেদের দখলে। গত মৌসুমে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে ১২ ম্যাচে ২৫ উইকেট নিয়ে তিনি ভেঙেছিলেন সাকিব আল হাসানের পুরোনো রেকর্ড।
এক মৌসুম যেতে না যেতেই সেই রেকর্ডের একেবারে দাঁড়িয়ে শরিফুল। শুক্রবারের ফাইনালে মাত্র এক উইকেট পেলেই তাসকিনের সঙ্গে যৌথভাবে রেকর্ডে নাম উঠবে। দুই উইকেট নিলেই ইতিহাসটা একান্তই নিজের করে নেবেন চট্টগ্রামের এই পেসার।
এবারের বিপিএলে এখন পর্যন্ত ১১ ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটিতে উইকেটশূন্য ছিলেন শরিফুল। সেটিও টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচে, সিলেট স্টেডিয়ামে রংপুরের বিপক্ষে। ওই ম্যাচে ২ ওভারে ১৬ রান দিলেও উইকেট পাননি। এরপর যেন আর ছন্দ হারাননি তিনি।
এরপর টানা ৯ ম্যাচে উইকেট নিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে মিরপুরে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে ম্যাচটি আলাদা করে চোখে পড়ার মতো। ৩.৫ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট যআ স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ১৫৫ ম্যাচের ক্যারিয়ারে এটিই শরিফুলের সেরা বোলিং ফিগার।
ইকোনমির দিক থেকেও ধারাবাহিক ছিলেন তিনি। প্রথম ১১ ম্যাচের চারটিতে ওভারপ্রতি ৬ রানের বেশি দিলেও, ৭ জানুয়ারি সিলেট টাইটানসের বিপক্ষে ৪ ওভারে ৩৯ রান দেওয়ার পর টানা পাঁচ ম্যাচে ওভারপ্রতি ৫ বা তার কম রান খরচ করেছেন।
ফাইনালের মঞ্চে শরিফুলের সামনে তাই দুটো লক্ষ্য। একদিকে দলকে শিরোপার পথে আরেক ধাপ এগিয়ে নেওয়া, অন্যদিকে বিপিএলের ইতিহাসে নিজের নামটা রেকর্ড বইয়ে আলাদা করে লেখা। এখনকার ফর্ম বিবেচনায় ফাইনালে শরিফুল উইকেট না পেলে সেটাই হবে সবচেয়ে বড় বিস্ময়।
ক্রিফোস্পোর্টস/২১জানুয়ারি২৬/টিএ
