Connect with us
ক্রিকেট

সাকিবের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ক্যান্ডিকে হারিয়ে শেষ চারে জাফনা

ব্যাটে-বলে সাকিবের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে জিতল জাফনা। ছবি: সংগৃহীত

লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে দারুণ একটি জয় পেয়েছে জাফনা কিংস। ক্যান্ডি রয়্যালসকে ২১ রানে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করেছে সাকিব-হৃদয়ের দল। এই ম্যাচে ব্যাট ও বল দুই বিভাগেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান। ব্যাট হাতে অপরাজিত ২২ রান করার পর বল হাতে ৩ উইকেট নিয়ে জয়ের অন্যতম নায়ক হন তিনি। আরেক বাংলাদেশি তাওহিদ হৃদয়ও ১৬ বলে ২১ রানের কার্যকর একটি ইনিংস খেলেন।

পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে জাফনাকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ক্যান্ডি। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান কামিল মিশারা ও আভিষকা ফার্নান্দো। প্রথম ছয় ওভারেই কোনো উইকেট না হারিয়ে ৭৯ রান তোলে জাফনা। দুজন মিলে উদ্বোধনী জুটিতে যোগ করেন ৯৫ রান। ফার্নান্দো ২২ বলে ৩৬ রান করে ফিরলেও মিশারা ২৬ বলে ৪৯ রান করে দলের বড় সংগ্রহের ভিত্তি গড়ে দেন।

এরপর ইবরাহিম জাদরান ৮ এবং ভানুকা রাজাপক্ষে ৭ রান করে দ্রুত বিদায় নেন। তখন ক্রিজে এক হন সাকিব আল হাসান ও তাওহিদ হৃদয়। হৃদয় ১৬ বলে ২১ রান করে ফিরে গেলেও সাকিব শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন। শেষ দিকে চামিন্দু বিক্রমাসিংহে মাত্র ১৫ বলে ৪৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। দুনিথ ভেল্লালাগেও করেন ১৬ রান। সব মিলিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২২১ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে জাফনা। সাকিব অপরাজিত থাকেন ১৬ বলে ২২ রানে।



২২২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালো শুরুই পেয়েছিল ক্যান্ডি। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৪১ রান। তবে নিজের প্রথম ওভারেই লাহিরু উদারাকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন সাকিব। এরপর নিজের দ্বিতীয় ওভারে কুশল পেরেরাকেও সাজঘরে পাঠান তিনি। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান পাভান সন্দ্বেশ ২১ বলে ৪৮ রান করলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। মাঝের দিকে শাহীন শাহ আফ্রিদি ২৪ রান করে কিছুটা লড়াই চালিয়ে যান।

শেষ দিকে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা দ্রুত রান তুলতে থাকলেও তাকে ফিরিয়ে নিজের তৃতীয় উইকেট তুলে নেন সাকিব। চার ওভারে ৪৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করে নিজের বোলিং শেষ করেন তিনি। এ ছাড়া দুনিথ ভেল্লালাগে মাত্র ১১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। জাহুর খান ও দিলশান মাদুশাঙ্কা নেন দুটি করে উইকেট।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ক্যান্ডির প্রয়োজন ছিল ২২ রান। কিন্তু সেই লক্ষ্য আর ছুঁতে পারেনি তারা। বিজয় শঙ্কর শেষ পর্যন্ত ২৫ রান করলেও দলকে জয়ের কাছে নিতে পারেননি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ২০০ রানেই থেমে যায় ক্যান্ডির ইনিংস। ফলে ২১ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জাফনা কিংস।

ব্যাট হাতে অপরাজিত ইনিংস এবং বল হাতে তিন উইকেট—দুই বিভাগেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে জাফনার জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন সাকিব আল হাসান। তাওহিদ হৃদয়ের দায়িত্বশীল ইনিংসও দলের বড় সংগ্রহ গড়তে সহায়তা করেছে। এ জয়ে শেষ চার নিশ্চিত করেছে জাফনা।

ক্রিফোস্পোর্টস/৩১জুলাই২৬/টিএ

Crifosports announcement

Focus

More in ক্রিকেট