সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের পঞ্চদশ আসরের ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে তুলনামূলক সহজ গ্রুপেই জায়গা পেয়েছে বাংলাদেশ। স্বাগতিক দলকে রাখা হয়েছে ‘এ’ গ্রুপে। বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে শ্রীলঙ্কা ও ভুটান। তবে ফিফার নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে এই গ্রুপে যোগ দিতে পারে নেপালও।
অন্যদিকে ‘বি’ গ্রুপে আবারও মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। তাদের সঙ্গে রয়েছে মালদ্বীপ। ২০২৩ সালের আসরেও দুই দল একই গ্রুপে খেলেছিল। সেবার পাকিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছিল ভারত।
ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে শনিবার ড্র অনুষ্ঠিত হয়। তবে নিষেধাজ্ঞার কারণে ড্রয়ে রাখা হয়নি নেপালকে। গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর দেশটির ফুটবল সংস্থায় তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের অভিযোগে ফিফা নেপালকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে।
তবে নেপালের জন্য সুযোগ পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে তারা এই প্রতিযোগিতায় খেলতে পারবে। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও ভুটানের সঙ্গে একই গ্রুপে যুক্ত হবে নেপাল।
আগামী ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। টুর্নামেন্ট চলবে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত। সবগুলো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ঢাকায়। এর আগে ২০০৩, ২০০৯ ও ২০১৮ সালে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ।
২০০৩ সালে ঘরের মাঠেই একমাত্রবারের মতো সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। সবশেষ ২০২৩ সালের আসরে বাংলাদেশ উঠেছিল শেষ চারে। এবারও ঘরের মাঠে ভালো ফলের আশা করছে দলটি।
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল ভারত। তারা এখন পর্যন্ত নয়বার শিরোপা জিতেছে। ভারতের বাইরে একাধিকবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব রয়েছে শুধু মালদ্বীপের। বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান একটি করে শিরোপা জিতেছে।
সাফের ড্র
গ্রুপ-এ : বাংলাদেশ, নেপাল (শর্তসাপেক্ষে) ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। গ্রুপ-বি : ভারত, মালদ্বীপ ও পাকিস্তান।
ক্রিফোস্পোর্টস/২আগস্ট২৬/টিএ



