আগামী ৩ জুলাই ভোর ৫ টায় হতে যাওয়া পর্তুগাল ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যকার বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের ম্যাচ ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে। সেই আগ্রহের প্রভাব পড়েছে টিকিটের বাজারেও। কানাডার টরোন্টোতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচের কিছু টিকিট পুনর্বিক্রয়ে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৬ লাখ টাকায় বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে।
দেশটির একটি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, অনলাইনে টিকিট কেনাবেচার কয়েকটি মাধ্যমে কিছু আসনের মূল্য ৩০ হাজার কানাডীয় ডলারেরও বেশি রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে আরও অনেক টিকিট কয়েক হাজার ডলার দামে বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত রয়েছে। সবচেয়ে কম দামের একটি টিকিটের মূল্যও ছিল ২ হাজার ৬০০ কানাডীয় ডলারের বেশি।
অথচ গত বছর আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে টিকিট বিক্রি শুরু করলে এই ম্যাচের টিকিটের দাম ছিল ৩৩৫ থেকে ৮৭৫ কানাডীয় ডলারের মধ্যে। সেই তুলনায় পুনর্বিক্রয়ের বাজারে দাম অনেক গুণ বেড়ে গেছে।
টরোন্টো শহরে পর্তুগিজ ও ক্রোয়েশীয় বংশোদ্ভূত মানুষের বড় একটি সম্প্রদায় বসবাস করে। বৃহত্তর টরোন্টো এলাকায় প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার পর্তুগিজ এবং ৩৫ হাজার ক্রোয়েশীয় বংশোদ্ভূত মানুষের উপস্থিতি রয়েছে। নিজেদের দেশের দলকে সমর্থন করতে তাদের ব্যাপক আগ্রহ টিকিটের চাহিদা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
এ ছাড়া এই ম্যাচকে ঘিরে বাড়তি আবেগও কাজ করছে। কারণ পর্তুগাল বা ক্রোয়েশিয়া হেরে গেলে সেটিই হতে পারে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো অথবা লুকা মদ্রিচের বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচ। তাই অনেক সমর্থক যেকোনো মূল্যে মাঠে বসে ম্যাচটি দেখতে চান।
অন্যদিকে, টরোন্টো যে অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত, সেখানে এ বছর টিকিটের মূল দামের চেয়ে বেশি দামে পুনর্বিক্রয় নিষিদ্ধ করে আইন করা হয়েছে। তবে টিকিট কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, একজন বিক্রেতা মূল টিকিট কত দামে কিনেছিলেন, তা নিশ্চিতভাবে যাচাই করা কঠিন। ফলে এই আইন কার্যকর করতে বাস্তবে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
ক্রিফোস্পোর্টস/১জুলাই২৬/টিএ



