
মিশরকে ৩–২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচের ফলের চেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে রেফারির কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে। বিশেষ করে মিশরের একটি গোল বাতিল হওয়ার ঘটনায় ফুটবল অঙ্গনে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। সাবেক ফুটবলার, কোচ ও বিশ্লেষকদের অনেকেই এ নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন।
বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মিশরের মিডফিল্ডার মোস্তফা জিকোর করা গোলটি। সেই গোলে মিশর ব্যবধান বাড়ালেও পরে চিত্র সহায়কের পরামর্শে আগের একটি ঘটনার কারণে গোলটি বাতিল করা হয়। মাঠের রেফারি প্রথমে কোনো নিয়মভঙ্গ দেখেননি। কিন্তু গোল হওয়ার পর আগের ঘটনা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত বদলানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকেই।
রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হোসে মরিনহো এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি ম্যাচটিকে ‘দিনেদুপুরে ডাকাতি’ বলে মন্তব্য করেন। মরিনহোর ভাষ্যমতে, যদি সত্যিই কোনো নিয়মভঙ্গ হয়ে থাকে, তাহলে তখনই খেলা থামানো উচিত ছিল। গোল হওয়ার পর অনেক আগের ঘটনা দেখে গোল বাতিল করা গ্রহণযোগ্য নয় বলে মনে করেন তিনি।
একই বিষয়ে কথা বলেছেন সাবেক ফুটবলার জেমি ক্যারাঘার। তার দাবি, অন্য কোনো দলের ক্ষেত্রে এমন গোল বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম ছিল। ফুটবল বিশ্লেষক আলী আল গার্নিও বলেছেন, ম্যাচের বেশির ভাগ সংশয়পূর্ণ সিদ্ধান্ত আর্জেন্টিনার পক্ষেই গেছে। তবে তিনি মনে করেন, ‘ডাকাতি’ শব্দটি কিছুটা কঠোর হলেও বিতর্কের কারণ অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
ম্যাচ শেষে রেফারির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছে মিশর ফুটবল সংস্থা। তাদের অভিযোগে বলা হয়েছে, গোল বাতিল, সম্ভাব্য শাস্তিমূলক কিক না দেওয়া এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ম্যাচের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে। তারা এসব সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা চেয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। এখন সেই অভিযোগের বিষয়ে সংস্থাটির অবস্থানের অপেক্ষায় রয়েছে মিশর।
ক্রিফোস্পোর্টস/৮জুলাই২৬/টিএ




















