কোয়ালিফায়ারে সিডনি থান্ডারের বিপক্ষে ৫৭ রানের বড় ব্যবধানে হেরে ফাইনালের দৌড় থেকে ছিটকে গেল রিশাদের হোবার্ট। ম্যাচ হারলেও বল হাতে দারুণ করেছেন বাংলাদেশী লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন।
ম্যাচে টসে জিতে সিডনিকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় হোবার্ট। ব্যাটিংয়ে নেমে বেশ ভালো শুরু পায় সিডনি। তবে দলীয় ২৭ রানে ব্যক্তিগত ১৩ করে ফেরেন ড্যানিয়েল। ওপেনারের বিদায়ের পর অধিনায়ক জশ ফিলিপকে নিয়ে দ্রুত রান তুলতে থাকেন স্টিভ স্মিথ, গড়েন ৩৯ বলে ৬৪ রানের জুটি।
ব্যক্তিগত ১৫ করে অধিনায়ক ফিলিপ ফিরলেও অর্ধশতক তুলে নেন স্মিথ। বিগ ব্যাশের এবারের আসরে ৫ ইনিংসে এটি তার তৃতীয় পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস। ৪৩ বলে ৬৫ করে রিশাদ হোসেনের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন স্মিথ।
মাঝে জোয়েল ডেভিস খেলেন ১২ বলে ২৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে সিডনির সংগ্রহ দাড়ায় ৮ উইকেটে ১৯৮ রান।
সতীর্থদের বোলিং ব্যর্থতার দিনে চমক দেখিয়েছেন রিশাদ হোসেন। নির্ধারিত ৪ ওভারে ৩৩ রানে ২ উইকেট তুলে নেন এই বাংলাদেশী তরুণ লেগ স্পিনার। হোবার্টের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন মেরেডিথ, ২টি উইকেট রিশাদ ও স্টানলেকের ঝুলিতে।
১৯৯ রানের বড় লক্ষ্যে খেলতে নেমে দ্রুত রান তুলতে থাকেন দুই ওপেনার মিচেল ওয়েন ও টিম ওয়ার্ড। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি কেউই, দুজনেই ফিরেছেন ৮ বলে ১৩ করে।
দুই ওপেনারের বিদায়ের পর জুটি গড়ে চাপ সামলানোর চেষ্টা করেন ওয়েবস্টার ও অধিনায়ক ডারমট, গড়েন ৪২ বলে ৪৮ রানের জুটি। দলীয় ৭৭ আর ব্যক্তিগত ২৪ করে ফেরেন ওয়েবস্টার, আর ডারমট করেন ২৬ বলে ৪০।
এদিন ব্যাট হাতে ব্যর্থ ছিলেন ম্যাথিউ ওয়েড, নিখিল চৌধুরী, জর্ডানরা। ব্যাট হাতে এক ছক্কায় ৮ বলে ১১ করেন রিশাদ। ১৭.২ ওভারে ১৪১ রানে থাকে হোবার্টের ইনিংস, আর তাতেই ৫৭ রানে হেরে ফাইনালের স্বপ্নভঙ্গ হয় হোবার্টের।
বল হাতে সিডনির হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন বেন দ্বারসুইস, ২টি করে উইকেট মিচেল স্টার্ক, শব অ্যাবোট ও জোয়েল ডেভিসের, আর অন্যটি এডওয়ার্ডের দখলে। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন জোয়েল ডেভিস।
ক্রিফোস্পোর্টস/২৩জানুয়ারি২৬/এআই
