
মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনে পাকিস্তানি বোলারদের শাসন করেছেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। প্রথম দিনের খেলা শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩০১ রান তুলেছে টাইগাররা।
শুক্রবার (৮ মে) প্রথম দিনেই একগাদা রেকর্ড হয়েছে। দারুণ এক সেঞ্চুরিতে সেই রেকর্ডে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
১. গতকালের সেঞ্চুরিটি শান্তর ৯ম টেস্ট সেঞ্চুরি। অধিনায়ক হিসেবে বাংলাদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫ সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়লেন তিনি। ৪ সেঞ্চুরি নিয়ে দুইয়ে আছেন মুশফিকুর রহিম। অধিনায়ক হিসেবে আগে ব্যাট করে সেঞ্চুরি করাতেও সবচেয়ে এগিয়ে শান্ত। এখানে শান্তর ৪ সেঞ্চুরির পর ২ সেঞ্চুরি নিয়ে শান্তর পেছনে আছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং মুমিনুল হক।
২. শান্তর ফিফটিকে সেঞ্চুরি বানানোর হারও দুর্দান্ত। ১৪ বার ৫০ ছাড়িয়ে ৯ বারই ১০০ করেছেন শান্ত। ৬৪.২৮% সময়ে ফিফটিকে বানিয়েছেন সেঞ্চুরি। টেস্টে অন্তত ২০০০ রান করা ব্যাটারদের মধ্যে শান্তর চেয়ে ভালো কনভার্শন রেট আছে কেবল ডন ব্র্যাডম্যান (৬৯.০৫%) এবং জর্জ হেডলির (৬৬.৬৭%)।
৩. তৃতীয় উইকেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জুটি এখন মিরপুর টেস্টে মুমিনুল হক এবং নাজমুল হোসেন শান্তর গড়া ১৭০ রানের জুটি। এর আগে ২০০৩ সালে পেশোয়ারে জাভেদ ওমর বেলিম এবং মোহাম্মদ আশরাফুলের ১৩০ রানের জুটিই ছিল সেরা।
৪. টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে মুশফিকুর রহিমের ক্যারিয়ার। এশিয়ার মধ্যে মুশফিকের চেয়ে এগিয়ে আছেন কেবল ভারতের শচীন টেন্ডুলকার, ২৪ বছর ১ দিন।
৫. প্রথম দিনে পাকিস্তানের নোমান আলী ৬টি নো বল করেছেন। ২০০০ সালের পর পাকিস্তানি স্পিনারদের মধ্যে এক দিন সর্বোচ্চ নো বলের রেকর্ড গড়েছেন যৌথভাবে।
৬. টেস্ট ইতিহাসে প্রথমবারের মত ৭ বাঁহাতি ব্যাটার নিয়ে টেস্ট ম্যাচের একাদশ সাজিয়েছে পাকিস্তান। ৪৬৮তম টেস্টে এসে এই রেকর্ড গড়লো পাকিস্তান। ইমাম-উল-হক, আজান আওয়াইস, আব্দুল্লাহ ফজল, শান মাসুদ (অধিনায়ক), সাউদ শাকিল, শাহীন শাহ আফ্রিদি, এবং নোমান আলী-৭ বাঁহাতি ব্যাটার।
ক্রিফোস্পোর্টস/৯মে২৬/এনডি





















