২০২৫-২৬ মৌসুমে মাঠে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদ। লা লিগা, ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতা কিংবা স্প্যানিশ সুপার কাপ কোনো বড় শিরোপাই জিততে পারেনি স্পেনের সফলতম ক্লাবটি। তবে মাঠের ব্যর্থতার মাঝেও আর্থিক দিক থেকে নতুন ইতিহাস গড়েছে তারা।
মৌসুম শেষে প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, খেলোয়াড় বিক্রি থেকে পাওয়া অর্থ বাদ দিয়েই রিয়ালের আয় হয়েছে ১২২ কোটি ১০ লাখ ইউরো। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৭ হাজার ২১৫ কোটি টাকা। ক্লাবের ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ আয়।
রিয়াল জানিয়েছে, আগের অর্থবছরের তুলনায় তাদের আয় বেড়েছে ৩ দশমিক ১ শতাংশ। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ১২০ কোটি ইউরোর সীমা অতিক্রম করেছে ক্লাবটি। তাদের দাবি, বিশ্বের অন্য কোনো ক্রীড়া সংস্থা এখন পর্যন্ত এই পরিমাণ পরিচালন আয় করতে পারেনি।
শুধু আয়ই নয়, কর পরিশোধের পরও রিয়ালের মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৬০ লাখ ইউরো। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩৬৫ কোটি টাকা। আগের মৌসুমের তুলনায় এই মুনাফাও প্রায় ৮ শতাংশ বেশি।
ক্লাবটির এই বড় আয়ের প্রধান উৎস সংস্কার করা সান্তিয়াগো বার্নাব্যু মাঠ। এই মাঠ থেকে আয় বেড়ে হয়েছে ৩৬ কোটি ৩০ লাখ ইউরো, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ হাজার ৯১ কোটি টাকা। পাশাপাশি নতুন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিও আয়ের পরিমাণ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
অন্যদিকে মাঠের ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে নতুন মৌসুমের প্রস্তুতিও শুরু করেছে রিয়াল। আলভারো আরবেলোয়ার জায়গায় প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জোসে মরিনিওকে। একই সঙ্গে বের্নার্দো সিলভা ও মার্ক কুকুরেয়ার মতো ফুটবলারদের দলে নিয়েছে ক্লাবটি। এছাড়া লাইপজিগের ইয়ান দিওমান্দে এবং ম্যানচেস্টার সিটির রদ্রিকেও দলে নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
টানা দুই মৌসুম বড় কোনো শিরোপা না জেতার হতাশা দূর করে নতুন মৌসুমে আবারও সাফল্যের পথে ফিরতে চায় রিয়াল মাদ্রিদ। সেই লক্ষ্যেই একদিকে যেমন শক্তিশালী দল গঠন করছে, অন্যদিকে আর্থিক দিক থেকেও নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করে নতুন রেকর্ড গড়েছে স্পেনের ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি।
ক্রিফোস্পোর্টস/২৯জুলাই২৬/টিএ



