পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা চট্টগ্রামকে হারিয়ে টেবিল টপার হল রংপুর রাইডার্স। ১৭০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে কাইল মায়ার্সের দুর্দান্ত ফিফটি আর মাহমুদউল্লাহর ঝোড়ো ফিনিশিংয়ে ৭ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় রংপুর রাইডার্স।
চট্টগ্রামের বিপক্ষে ১৭০ রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় রংপুর। ১০ রানেই ওপেনার লিটন কুমার দাসকে হারান তারা। তারপর ডেভিড মালানকে সাথে নিয়ে ৬১ রানের পার্টনারশিপ গড়েন কাইল মায়ার্স। ২৪ বলে ফিফটি করে আউট হয়ে যান মায়ার্স। তারপর হৃদয়ের সঙ্গে ৩০ রানের পার্টনারশিপ গড়লেও ১৫ বলে ১৭ করে ফিরে যান হৃদয়। অন্যদিকে মালানও ৩০ বলে ৩০ করে আউট হলে কিছুটা চাপে পড়ে যায় রংপুর। সেখান থেকে জয়ের বন্দরে দলকে টেনে নেন মাহমুদউল্লাহ ও খুশদিল শাহ। দুজনে মিলে গড়েন ২২ বলে ৪৭ রানের পার্টনারশিপ। খুশদিল ১২ বলে ২২ করে আউট হলেও জয় নিয়ে ফিরেন মাহমুদউল্লাহ। ১৯ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি।
বোলিংয়ে চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট পান শরিফুল ইসলাম। ৩৭ রান দিয়ে তিনি নেন ৩ উইকেট। একটি করে উইকেট পান আমের জামাল ও আবু হায়দার রনি।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৯ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায় চট্টগ্রাম রয়্যালস।ইনিংসের শুরুতে নাঈম শেখের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নামেন রসিংটন। দুজন মিলে দেখেশুনে শুরু করেন। তবে নাঈম বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৫ বলে ১৬ রান করে তিনি ফিরে যান। অন্যদিকে এক প্রান্ত আগলে রাখেন রসিংটন।
তিন নম্বরে নামা মাহমুদুল হাসান জয় ৭ বলে ১২ রান করে আউট হন। এরপর রসিংটনের সঙ্গে জুটি গড়েন হাসান নওয়াজ। দুজন মিলে ইনিংস সামলান এবং ধীরে ধীরে রান তোলার গতি বাড়ান। নওয়াজ ফিফটির দেখা না পেলেও রসিংটন তুলে নেন নিজের অর্ধশতক। তবে ফিফটির পর বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি তিনি। ৪১ বলে ৫৮ রান করে দলীয় ১৩০ রানের সময় আউট হন তিনি।
এরপর কিছুটা চাপের মুখে পড়ে চট্টগ্রাম। শেষ দিকে শেখ মেহেদী হাসান ও আমের জামালের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস তোলে ১৬৯ রান। মেহেদী ৭ বলে ১৩ ও জামাল ১০ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন।
বোলিংয়ে রংপুর রাইডার্সের হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান ও আকিফ জাভেদ। দুজনই নেন দুটি করে উইকেট। একটি উইকেট পান রাকিবুল হাসান।
ক্রিফোস্পোর্টস/৫জানুয়ারি২৬/টিএ
