
পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) পেশোয়ার জালমির হয়ে অভিষেক ম্যাচে বল হাতে রাঙাতে পারেননি নাহিদ রানা। অভিষেক ম্যাচে কোনো উইকেটের দেখা পাননি এই টাইগার পেসার। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে এসেই বল হাতে জ্বলে উঠলেন এই স্পিডস্টার। একইসঙ্গে উইকেটের দেখা পেয়েছেন আরেক টাইগার পেসার শরিফুল ইসলামও। তাতে তাদের দলও পেয়েছে রেকর্ডগড়া জয়।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) পিএসএলের ১৭তম ম্যাচে করাচি কিংসকে ১৫৯ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে পেশোয়ার জালমি। পিএসএলের ইতিহাসে এটি সর্বোচ্চ রানে জয়ের রেকর্ড। আগের রেকর্ডটিও পেশোয়ারের দখলেই ছিল। গত বছর ২০২৫ আসরে মুলতান সুলতানসকে ১২০ রানের ব্যবধানে হারিয়েছিল বাবর আজমের দল।
করাচিতে এদিন টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৪৬ রানের বিশাল পুঁজি পায় পেশোয়ার। দলের পক্ষে সেঞ্চুরি করেন কুশল মেন্ডিস। ৫২ বলে ১৪ চার ও ৪ ছক্কায় ১০৯ রানের ইনিংস খেলেন এই লঙ্কান তারকা।
ব্যাট হাতে রাঙিয়েছেন অধিনায়ক বাবর আজমও। অল্পের জন্য সেঞ্চুরি মিস করা এই তারকা খেলেন ৮৭ রানের ইনিংস। ৫১ বলে ১০ চার ও ২ ছক্কায় ইনিংসটি সাজান এই ব্যাটার। এছাড়া শেষদিকে নেমে ১২ বলে ৪০ রানের ঝোড়ো ক্যামিও খেলেন আব্দুল সামাদ। করাচির হয়ে দুটি উইকেট নেন আব্বাস আফ্রিদি।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলীয় ৮ রানেই ৩ উইকেট হারায় করাচি। এর মাঝে দলটির অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নারকে গোল্ডেন ডাকে ফেরান শরিফুল। শুরুর বিপত্তি কাটিয়ে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি করাচি। নাহিদ-সুফিয়ান-ইফতিখারদের বোলিং তোপে ৮৭ রানেই গুটিয়ে যায় তারা।
পেশোয়ারের হয়ে ম্যাচের সেরা বোলিং ফিগারটি ছিল নাহিদের। ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ মাত্র ৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন এই এক্সপ্রেস পেসার। সমান ৩টি করে উইকেট নেন ইফতিখার ও সুফিয়ান। এছাড়া শরিফুল ৩ ওভারে ২৩ রান দিয়ে ওয়ার্নারের মূল্যবান উইকেটটি পান।
এ নিয়ে পিএসএলে তৃতীয় জয়ের দেখা পেল পেশোয়ার। ৪ ম্যাচে ৩ জয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে উঠে এসেছে বাবর আজমের দল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
পেশোয়ার জালমি : ২৪৬/৩ (২০ ওভার)
করাচি কিংস : ৮৭/১০ (১৬.১ ওভার)
ফলাফল: পেশোয়ার জালমি ১৫৯ রানে জয়ী
ক্রিফোস্পোর্টস/১০এপ্রিল২৬/বিটি




















