শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে টি-টোয়েন্টি ত্রিদেশীয় সিরিজের আয়োজন করেছিল পাকিস্তান। তিন দলের লটাইয়ের পর ফাইনালে উঠে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। ফাইনালে লঙ্কানদের হারিয়ে শিরোপা নিজেদের ঘরের রেখে দিয়েছে পাকিস্তান।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ১১৪ রানেই গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৮.৪ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় পাকিস্তান।
ফাইনালে স্বল্প রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জয়ের পথ সহজ করে দেন টপ অর্ডার ব্যাটাররা। ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ২২ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ২৩ রান করেন। আরেক ওপেনার সাইম আইয়ুব ৩৩ বলে ৬ চারের মারে ৩৬ রানের ইনিংস খেলেন।
তিনে নেমে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন বাবর আজম। ৩৪ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ৩৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন এই তারকা। এছাড়া ১৪ বলে ১৪ রান করেন অধিনায়ক সালমান আলী আগা। শ্রীলঙ্কার পক্ষে বল হাতে বড় কোনো চ্যালেঞ্জ ছুড়তে পারেননি কেউ। পাভান রত্নায়েকে ২ ওভারে ১২ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন এশান মালিঙ্গা ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা।
অবশ্য এদিন আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত হয়েছিল শ্রীলঙ্কার। দলীয় ২০ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পরও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। কামিল মিশরার মারকুটে ব্যাটিংয়ের কল্যাণে ১০ ওভারে ৮১ রান তুলে নিয়েছিল তারা। তবে ১১তম ওভারে ৮৪ রানের মাথায় মোহাম্মদ নাওয়াজকে উইকেট দিয়ে ফেরেন কুশল মেন্ডিস। ১৮ বলে ১৪ রান করে বিদায় নেন তিনি।
এরপর ৯৮ রানের মাথায় সাইম আইয়ুবকে উইকেট দিয়ে ফেরেন আরেক সেট ব্যাটার মিশরা। সাজঘরে ফেরার আগে ৪৭ বলে ২ চার ও ৪ ছক্কায় ৫৯ রান করেন তিনি। এরপরেই বাধে বিপত্তি। শুরু হয় শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং বিপর্যয়। পরের ১৬ রানের মধ্যে বাকি ৭ ব্যাটারকে হারায় তারা। তাতে ১১৪ রানেই লঙ্কান ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে।
পাকিস্তানের হয়ে ৩টি করে উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ নাওয়াজ ও শাহীন আফ্রিদি। এছাড়া আবরার আহমেদ ২টি এবং সাইম আইয়ুব ও সালমান মির্জা একটি করে উইকেট নেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
শ্রীলঙ্কা : ১১৪/১০ (১৯.১ ওভার)
পাকিস্তান : ১১৮/৪ (১৮.৪ ওভার)
ফলাফল : পাকিস্তান ৬ উইকেটে জয়ী
ক্রিফোস্পোর্টস/২৯নভেম্বর২৫/বিটি