ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেস আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারল না পাকিস্তান। তারৌবায় সিরিজের প্রথম টেস্টে ২১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১২০ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারীরা। ফলে ৯০ রানের জয় তুলে নিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একই সঙ্গে বিদেশের মাটিতে টানা অষ্টম টেস্টে হারের তিক্ত স্বাদ পেল পাকিস্তান।
চতুর্থ দিনের শুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ নিজেদের লিড আরও বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে ব্যাটিং করে। শামার জোসেফ ও কেমার রোচ অষ্টম উইকেটে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলের সংগ্রহ বাড়ান। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮১ রান তোলে স্বাগতিকরা। পাকিস্তানের হয়ে মোহাম্মদ আব্বাস ৫টি উইকেট নিলেও দলকে বড় লক্ষ্য থেকে আটকাতে পারেননি।
২১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেই বিপদে পড়ে পাকিস্তান। শুরুতেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারীরা। জেইডেন সিলস ও কেমার রোচ নিখুঁত বোলিংয়ে পাকিস্তানের শীর্ষ সারির ব্যাটারদের দ্রুত ফিরিয়ে দেন। পরে জাস্টিন গ্রিভসও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দুটি উইকেট নিয়ে চাপ আরও বাড়িয়ে দেন।
আঙুলের চোটে ভুগছিলেন অধিনায়ক শান মাসুদ। সে কারণে তিনি স্বাভাবিক সময়ে ব্যাট করতে নামতে পারেননি। পরে নিচের দিকে নেমেও মাত্র ৩ রান করে বিদায় নেন। অন্য ব্যাটাররাও বড় কোনো জুটি গড়তে ব্যর্থ হওয়ায় ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় পাকিস্তান।
এক প্রান্তে অবশ্য লড়াই চালিয়ে যান বাবর আজম। তিনি অপরাজিত ৫৮ রান করে নিজের বত্রিশতম অর্ধশতক পূর্ণ করেন। শেষ উইকেটে মোহাম্মদ আব্বাসকে সঙ্গে নিয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও তাতে শুধু হারের ব্যবধানই কমেছে। আব্বাস ২৩ রান করেন।
শেষ পর্যন্ত চা বিরতির পরদিনের দ্বিতীয় বলেই আব্বাসকে ফিরিয়ে নিজের পঞ্চম উইকেট পূর্ণ করেন জেইডেন সিলস। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১২০ রানেই থেমে যায় পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস। স্যার গ্যারি সোবার্সের নব্বইতম জন্মবার্ষিকীতে এই জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য বাড়তি আনন্দের উপলক্ষ হয়ে এসেছে।
ক্রিফোস্পোর্টস/২৯জুলাই২৬/টিএ



