
লিটন দাসের শতকের পর বল হাতে দারুণ নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সিলেট টেস্টে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিন দ্বিতীয় সেশন শেষে পাকিস্তান ৮ উইকেটে ২০৬ রান তুলেছে। চা বিরতির পরই নাহিদ রানা আঘাত হানেন। যার ফলে প্রথম ইনিংসে ২৩২ রানেই গুটিয়ে যায় সফরকারীরা। পাশাপাশি ৪৬ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।
দিনের শুরু থেকেই পাকিস্তানের ব্যাটারদের ওপর চাপ তৈরি করেন বাংলাদেশের বোলাররা। তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজের ধারাবাহিক আক্রমণে প্রথম সেশনেই ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে সফরকারীরা।
মধ্যাহ্ন বিরতির পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন বাবর আজম। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে তিনি অর্ধশতক তুলে নেন এবং দলের রান বাড়ানোর চেষ্টা করেন। তবে ৬৮ রান করে নাহিদ রানার বলে আউট হন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক। তার ইনিংসে ছিল ১০টি চার।
বাবরের বিদায়ের পর দ্রুতই আরও চাপে পড়ে পাকিস্তান। ২১ রান করা সালমান আলী আগাকে ফেরান তাইজুল ইসলাম। পরে মোহাম্মদ রিজওয়ানও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ১৩ রান করে তাইজুলের বলেই বোল্ড হন তিনি।
এরপর ১৮ রান করা হাসান আলীকেও ফিরিয়ে দেন তাইজুল। ফলে ১৮৪ রানেই অষ্টম উইকেট হারায় পাকিস্তান। দ্বিতীয় সেশন শেষে সফরকারীদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮ উইকেটে ২০৬ রান। চা বিরতির পর এসে শুরুতেই আঘাত হানেন নাহিদ রানা। খুরাম শাহজাদকে ফেরান তিনি। এরপর দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন সাজিদ খান। তাইজুলকে এক ওভারেই হাঁকান তিন ছক্কা। শেষ পর্যন্ত ৩৮ রান করে আউট হন তিনি। দলীয় ২৩২ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। বাংলাদেশ লিড পায় ৪৬ রানের।
বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে কার্যকর ছিলেন নাহিদ রানা ও তাইজুল ইসলাম। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একের পর এক উইকেট নিয়ে তারা পাকিস্তানকে বড় সংগ্রহ গড়ার সুযোগ দেননি। দুজনেই ৩ উইকেট করে শিকার করেন। ২ উইকেট করে নেন তাসকিন ও মিরাজ।
লিটন দাসের দায়িত্বশীল শতকে প্রথম ইনিংসে ভালো সংগ্রহ গড়া বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ৪৬ রানের লিড পেয়েছে। দ্বিতীয় ইনিংসে ভালো লক্ষ্য দাঁড় করাতে পারলে সিলেট টেস্টেও জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে টাইগারদের।
ক্রিফোস্পোর্টস/১৭মে২৬/টিএ





















