
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে গতকাল। তবে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হয়ে যায় তারও আগে। এখন তাদের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ একদিনের ক্রিকেট। এই সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে এসে স্বাগতিক দলকে কঠিন প্রতিপক্ষ বলেই মনে করছেন পাকিস্তানের সাদা বলের দলের প্রধান কোচ মাইক হেসন।
গত বছরের জুলাইয়ে সবশেষ বাংলাদেশ সফরে এসে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছিল পাকিস্তান। তখন মিরপুরের উইকেট নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন হেসন ও অধিনায়ক সালমান আলী আগা। প্রায় আট মাস পর আবার একই মাঠে মুখোমুখি হবে দুই দল, তবে এবার একদিনের সিরিজে।
বাংলাদেশ সবশেষ গত বছরের অক্টোবরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একদিনের সিরিজ জিতেছিল। অন্যদিকে পাকিস্তান সর্বশেষ এই সংস্করণে খেলেছে গত বছরের নভেম্বরে। ঘরের মাঠে তখন শ্রীলঙ্কাকে তিন ম্যাচের সিরিজে তিন শূন্য ব্যবধানে হারিয়েছিল তারা।
মিরপুরে আজ সংবাদ সম্মেলনে হেসন বলেন, বাংলাদেশকে হারানো সম্ভব হলেও এখানে খেলা সহজ হবে না। তিনি জানান, নিজেদের মাঠে বাংলাদেশ সব সময়ই শক্ত প্রতিপক্ষ। তাই এই সিরিজকে কঠিন হিসেবেই দেখছে পাকিস্তান দল।
তিনি বলেন, আগের সফরের তুলনায় এবার মিরপুরের উইকেট কিছুটা ভিন্ন মনে হচ্ছে। তখন বাউন্স ঠিকমতো পাওয়া যায়নি এবং উইকেটও খুব ভালো ছিল না। এবার ঘাস বেশি দেখা যাচ্ছে। ফলে ব্যাটিং ও বোলিং দুই দিকেই কিছুটা ভারসাম্য থাকতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।
মিরপুরের উইকেট নিয়ে অনেক সময়ই আলোচনা হয়। গত অক্টোবরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজেও এ নিয়ে কথা উঠেছিল। তবে সাম্প্রতিক ঘরোয়া প্রতিযোগিতাগুলোতে তুলনামূলক ভালো উইকেট দেখা গেছে। হেসনও মনে করেন, মাঝের ওভারগুলোতে স্পিনারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
বাংলাদেশ সফরের দলে বেশ কয়েকজন নতুন ক্রিকেটারকে সুযোগ দিয়েছে পাকিস্তান। বাবর আজম, সাইম আইয়ুব ও ফখর জামানের মতো অভিজ্ঞ কয়েকজনকে রাখা হয়নি দলে। নতুনদের মধ্যে সাহিবজাদা ফারহান ছাড়া বাকি পাঁচজন এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলেননি।
এই তরুণদের ওপরই ভরসা রাখছেন হেসন। তিনি বলেন, নতুন ক্রিকেটারদের নিজেদের সামর্থ্য দেখানোর এটি একটি ভালো সুযোগ। অনেকেই ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো পারফরম্যান্স করেছে। তাদের মধ্য থেকে কয়েকজন ভবিষ্যতে জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হতে পারে বলেও আশা করছেন তিনি।
হেসনের মতে, সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে মিরপুরের কন্ডিশনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়া। নতুন ক্রিকেটারদের জন্য এই সিরিজ বড় পরীক্ষা হবে বলেও মনে করছেন তিনি। পাকিস্তান কোচের আশা, দল ভালো ক্রিকেট খেলতে পারলে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজ দেখা যাবে।
ক্রিফোস্পোর্টস/৯মার্চ২৬/টিএ






















