
আইপিএলের নিলামে রেকর্ড দামে দল পাওয়ার একদিন কাটতে না কাটতেই আবারও আলোচনায় মুস্তাফিজুর রহমান। তবে এবার নিলাম নয়, মাঠের পারফরম্যান্সে। ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি–টোয়েন্টিতে ডেথে এক ওভারে তিন উইকেট তুলে নিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি দুবাই ক্যাপিটালসের। এমআই এমিরেটসের কাছে ৭ রানের হারে থামতে হয়েছে দলটিকে।
আবুধাবিতে আইপিএল নিলামের এক দিন পরই আমিরাতের অন্য শহর দুবাইয়ে বোলিংয়ে আলো ছড়ান বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১৮তম ওভারে রীতিমতো ম্যাচ প্রতিপক্ষের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেন মুস্তাফিজ। একের পর এক বলে ফেরান রশিদ খান, টম ব্যান্টন ও এএম গজনফরকে। ওই ওভারে রান খরচ করেন মাত্র ১।
তবে ম্যাচের শুরুটা মুস্তাফিজের জন্য সহজ ছিল না। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে জনি বেয়ারস্টোর দুটি চারে ১০ রান দেন তিনি। এরপর ১৬তম ওভারে ফিরে কামিন্দু মেন্ডিস ও ব্যান্টনকে চাপে রাখেন, ওই ওভারে আসে ৬ রান।
সবকিছু বদলে যায় ১৮তম ওভারে। প্রথম বলেই অফ কাটারে রশিদ খান মিড অফে ক্যাচ দেন দাসুন শানাকার হাতে। তৃতীয় বলে স্লোয়ারে ব্যান্টন মিডউইকেটে ধরা পড়েন ডু প্লয়ের হাতে। পঞ্চম বলে অফ স্টাম্পের বাইরে রাখা বলটিতে গজনফর স্লিপে ক্যাচ দেন, আবারও ডু প্লয়ের হাতেই।
হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা তৈরি হলেও শেষ ওভারে তা আর হয়নি। চতুর্থ বলে রোমারিও শেফার্ড বাউন্ডারিতে ক্যাচ দিলেও কক্স তা ধরে রাখতে পারেননি। সেই ওভারে একটি চার ও একটি ছয়ে ১৬ রান দেন মুস্তাফিজ। চার ওভারে তাঁর বোলিংয়ের হিসাব দাঁড়ায় ৩৪ রানে ৩ উইকেট।
মুস্তাফিজের অসাধারণ বোলিংয়ে এমআই এমিরেটস থামে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৭ রানে। লক্ষ্য তাড়ায় নেমে দুবাই ক্যাপিটালস শেষ পর্যন্ত গুটিয়ে যায় ১৩০ রানে। ৭ রানের হার নিশ্চিত হয় তাদের। ব্যাট হাতে মুস্তাফিজ করেন ১ রান, রানআউটে সাজঘরে ফিরেন তিনি।
ক্রিফোস্পোর্টস/১৮ডিসেম্বর২৫/টিএ






















