
বাংলাদেশের অন্যতম সেরা টেস্ট ব্যাটারদের একজন মুমিনুল হক। সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা ছন্দহীনতায় ভুগছিলেন তিনি। তবে সবশেষ আয়ারল্যান্ডের সিরিজ থেকেই নিজের পুরোনো রূপে ফিরেছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। টেস্টে নিজের শেষ পাঁচ ইনিংসেই খেলেছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংস। এবার এক মাইফলকও স্পর্শ করলেন সাবেক এই অধিনায়ক।
টেস্ট ক্রিকেটে পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন মুমিনুল। বাংলাদেশের তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এই কীর্তি গড়েছেন তিনি। সোমবার (১১ মে) বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্টে নিজের দ্বিতীয় ইনিংসে পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংস খেলে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন মুমিনুল।
পাকিস্তান সিরিজের আগে টেস্টে মুমিনুলের মোট রান ছিল ৪ হাজার ৮৫৯। এই সিরিজ দিয়ে পাঁচ হাজারি ক্লাবে প্রবেশ করতে তার দরকার ছিল ১৪১ রান। মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৯১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ফিফটি হাঁকানোর মধ্য দিয়ে সেই কাঙ্খিত মাইলফলকে পৌঁছে যান এই ব্যাটার।
প্রথম ইনিংসে ৯ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেন মুমিনুল। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ফিফটি হাঁকিয়ে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। ৫৬ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন এই তারকা। টেস্টে এখন তার মোট রান ৫ হাজার ৬। ১৪১ ইনিংস খেলে এই রান করেছেন তিনি।
মুমিনুলের আগে কেবল মুশফিকুর রহিম ও তামিম ইকবালই ৫ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ রানের মালিক মুশফিক। ১৮৬ ইনিংসে ৫ হাজার ৬৯৭ রান করেছেন মুশফিক। আর কয়েকটি টেস্ট খেলতে হয়ত প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ৭ হাজারি ক্লাবে প্রবেশ করবেন তিনি। তবে একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে ৬ হাজারি ক্লাবে পা রেখেছেন এই সিনিয়র ব্যাটার।
মুশকফিকের পর তামিমের অবস্থান। ৫ হাজার ১৩৪ রান নিয়ে দুইয়ে আছেন তিনি। ১৩৪ ইনিংস খেলে এই রান করেছেন সাবেক এই ওপেনার। সর্বোচ্চ রানের তালিকায় চারে আছেন সাকিব আল হাসান। তবে পাঁচ হাজারি ক্লাবে প্রবেশ করতে পারেননি তিনি। টেস্টে ১৩০ ইনিংসে ৪ হাজার ৬০৯ রান করেছেন এই অলরাউন্ডার। তবে বর্তমানে বাংলাদেশের টেস্ট দলের বাইরে আছেন এই তারকা। এছাড়া ৯১ ইনিংসে ৩১৫০ রান নিয়ে পাঁচে অবস্থান করেছেন লিটন দাস।
ক্রিফোস্পোর্টস/১১মে২৬/বিটি



















