
আগের ম্যাচে লক্ষ্য ছিল ১৪২ রান, গুটিয়ে গেছে ১৬ রানে। আজকের ম্যাচে লক্ষ্য ২৪৮। ৫ উইকেটে স্কোর ২০৭ রান। সেখান থেকে কিসে কী হয়ে গেল বাংলাদেশের! অলআউট হয়ে গেল ২৩৪ রনে। ১৩ রানের হারে এক ম্যাচ আগেই জিম্বাবুয়ের কাছে সিরিজ হারলো টাইগাররা।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) হারারে স্পোর্টিং গ্রাউন্ডে বল হাতেও সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। ওপেনার বেন কারানের অনবদ্য সেঞ্চুরি ও লোয়ার অর্ডারে ব্রাড ইভান্সের ঝড়ো ফিফটিতে আড়াইশ ছোঁয়া স্কোর পায় স্বাগতিকরা।
জয়ের লক্ষ্যে বেশ ভালোভাবেই যাচ্ছিলো মিরাজবাহিনী। তানজিদ তামিমের ৭০ বলে ৫৭ ও তাওহীদ হৃদয়ের ৯০ বলে ৬০ রানের ইনিংসে জয়ের স্বপ্নও দেখছিল বাংলাদেশ।
৪২তম ওভারের শেষ বলের আগেও বাংলাদেশের স্কোর ছিল ২০৭/৫। ওই ওভারের শেষ বলে মোসাদ্দেক আউট হয়ে গেলে ৪২ ওভার শেষে স্কোর দাঁড়ায় ২০৭/৬। তখনও জয়ের জন্য হাতে ৪ উইকেট। ৪৮ বলে রান লাগে ৪১। কিন্তু সেটাও ছুঁতে পারলেন না মিরাজ-তাসকিনরা।
এর আগে দলের জন্য বিপদের কারণ হয়ে ফিরে যান ওপেনার সৌম্য ও টপঅর্ডার শান্ত। এ দুজন ফিরে যান যথাক্রমে ৫ ও ৯ রানে। সোহান ৩৮ রানে ফেরার মোসাদ্দেক ৭ রানে ফিরে গেলে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি টাইগাররা।
ব্যাট হাতে ৩৮ বলে অপরাজিত ৫৮ রান করা ব্রাড ইভান্স বল হাতেও জ্বলে ওঠেন। ৯ ওভারে ৪৮ রান খরচা করে নিয়েছেন দুটি উইকেট। সেই সঙ্গে ধরেছেন দুটি ক্যাচও।
এর আগে একমাত্র টেস্টেও ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে জিম্বাবুয়ের মাটিতে এভাবে নাকানি-চুবানি খাওয়ায় ভক্তরা তুমুল সমালোচনা করছেন।
দ্বিতীয় ওয়ানডের স্কোর:
জিম্বাবুয়ে ২৪৭/৬; (বেন কারান ১১১, ব্রাড ইভান্স ৫৮, সিকান্দার ৩৩; মিরাজ ২/৩২, তাসকিন ২/৫৭)
বাংলাদেশ ২৩৪/১০; (হৃদয় ৬০, তানজিদ ৫৭, সোহান ৩৮, মিরাজ ২৭; এনগারাভা ৩/৫৫, মুজারাবানি ২/৩৩ ইভান্স ২/৪৮)
ফলাফল: জিম্বাবুয়ে ১৩ রানে বিজয়ী
সিরিজ ফলাফল: তিন ম্যাচ সিরিজে জিম্বাবুয়ে ২-০তে এগিয়ে
ক্রিফোস্পোর্টস/৯জুলাই২৬/এজে























