লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে টানা দ্বিতীয় ম্যাচেও ব্যর্থ হলেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। আগের ম্যাচে বল হাতে ব্যয়বহুল থাকার পর এবার তাকে বোলিংই করানো হয়নি। ব্যাট হাতে শুরুটা ভালো করলেও সেটিকে বড় ইনিংসে রূপ দিতে পারেননি তিনি। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে দুটি উইকেট পেয়েছেন পেসার হাসান মাহমুদ। তবে রান খরচ করেছেন বেশ।
শনিবার কলম্বোর সিংহলিজ ক্রীড়া মাঠে কলম্বোকে পাঁচ উইকেটে হারিয়েছে মিরাজের দল গল। টানা দ্বিতীয় জয়ে দারুণ ছন্দে রয়েছে তারা।
আগে ব্যাট করে কলম্বো নির্ধারিত বিশ ওভারে তোলে ১৮৯ রান। কুশল মেন্ডিস ৫৩ বলে ৭৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ছিল সাতটি ছক্কা। বেন ম্যাকডারমট করেন ৩৪ বলে ৫৭ রান। শেষ দিকে জিমি নিশাম ৮ বলে অপরাজিত ১২ রান যোগ করেন। গলের হয়ে পাকিস্তানের আকিফ জাভেদ চারটি উইকেট নেন। আগের ম্যাচে নতুন বলে দুই ওভারে ২৯ রান দেওয়ার পর এদিন মিরাজকে আর বল হাতে আনা হয়নি।
১৯০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে গল শুরুতেই ১৯ রান তোলে। এরপর আক্রমণে আসেন হাসান মাহমুদ। নিজের দ্বিতীয় বলেই চার হজম করলেও পরের বলেই লাসিথ ক্রুসপুলকে ফিরিয়ে দেন তিনি।
তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে মিরাজও শুরুটা করেছিলেন দারুণভাবে। প্রথম দুই বলেই দুটি চার মেরে আত্মবিশ্বাসের ইঙ্গিত দেন। ওভারের শেষ বলে নেন দুই রান। কিন্তু এরপর আর বেশিদূর যেতে পারেননি। প্রথম তিন বল থেকে ১০ রান করার পর ষষ্ঠ ওভারে বাঁহাতি স্পিনারের বলে বাউন্ডারির ভেতরে ধরা পড়ে ফিরতে হয় তাকে। ৯ বলে ১৩ রানেই শেষ হয় তার ইনিংস।
এরপর স্যাম হার্পার ও চারিথ আসালাঙ্কা গলের রান তাড়া সহজ করে দেন। তাদের ৭২ রানের জুটি ভাঙেন হাসান মাহমুদ। নিজের দ্বিতীয় ওভারে একটি অতিরিক্ত বলে ছক্কা খেলেও একই ওভারে আসালাঙ্কাকে ২৮ রানে ফিরিয়ে দেন তিনি। পরে হার্পার ৪৫ বলে ৬৫ রান করে আউট হন।
শেষ দিকে সাহান আরাচ্চিগে ১৬ বলে অপরাজিত ৩৮ এবং মোহাম্মদ নাওয়াজ ৬ বলে অপরাজিত ১৬ রান করে গলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল চার রান। হাসান মাহমুদের বলেই চার মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন আরাচ্চিগে। হাসান নিজের প্রথম ম্যাচে ২ দশমিক ২ ওভার বল করে ৩১ রান দিয়ে দুটি উইকেট নেন।
ক্রিফোস্পোর্টস/১৯জুলাই২৬/টিএ



