
চলমান পাকিস্তান সিরিজের প্রথম টেস্টে ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি লিটন দাস। মিরপুরে দুই ইনিংসেই ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। তবে সিলেটে দ্বিতীয় টেস্টেই নিজের জাত চেনালেন লিটন। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনি। তাতে সেঞ্চুরির তালিকায় সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুলের পাশে নাম লিখিয়েছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
সিলেটে এদিন ১০৬ রানে বাংলাদেশের চতুর্থ উইকেট পতনের পর ব্যাটিংয়ে আসেন লিটন। তবে ১১৬ রানের মধ্যেই ষষ্ঠ উইকেট হারিয়ে বসে টাইগাররা। এরপর এই ধ্বংসস্তূপ থেকে একাই বাংলাদেশকে টেনে তুলেন লিটন। প্রথমে কিছুটা দেখেশুনে খেলে ক্রিজে সেট হন তিনি। এরপর ফিফটিতে পৌঁছাতে মোকাবিলা করে ৯৩ বল।
তবে ফিফটি হাঁকিয়ে রান তোলার গতি আরও বাড়িয়ে দেন লিটন। পরের ৫০ রান তুলে নেন মাত্র ৪১ বল মোকাবিলা করেই। তাতে ১৩৫ বলে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছে যান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ১৫৯ বলে ১৬ চার ও ২ ছক্কায় ১২৬ রানের বীরত্বগাথা এক ইনিংস খেলে বিদায় নেন লিটন।
পাকিস্তানের বিপক্ষে এই সেঞ্চুরির মধ্য দিয়ে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরির তুলে নিয়েছেন লিটন। এর মধ্য দিয়ে টেস্টে আশরাফুলের সেঞ্চুরির সংখ্যাও ছুঁয়ে ফেলেছেন এই তারকা ব্যাটার। তাতে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির তালিকায় আশরাফুলের সঙ্গে যৌথভাবে পাঁচে জায়গা করে নিয়েছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
তবে আশরাফুলের চেয়ে অনেক কম ইনিংস খেলেই ষষ্ঠ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন লিটন। টেস্টে ষষ্ঠ সেঞ্চুরি পেতে তাকে খেলতে হয়েছে ৯৩ ইনিংস। অন্যদিকে আশরাফুল ১১৯ ইনিংস খেলে ৬টি সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ টেস্ট সেঞ্চুরির তালিকায় শীর্ষে আছেন মুমিনুল হক। ১৪২ ইনিংস খেলে ১৩টি সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। সমান ১৩ সেঞ্চুরি নিয়ে দুইয়ে আছেন মুশফিকুর রহিম। তবে তিনি মুমিনুলের চেয়ে অনেক বেশি ইনিংস খেলেছেন। ১৮৭ ইনিংস খেলে নামের পাশে ১৩টি সেঞ্চুরি রেখেছেন এই সিনিয়র ব্যাটার।
তালিকার তিনে আছেন তামিম ইকবাল। ১৩৪ ইনিংসে ১০টি সেঞ্চুরি রয়েছে জাতীয় দলের সাবেক এই ওপেনারের। একধাপ নিচেই তামিমকে চোখ রাঙাচ্ছেন বর্তমান টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। মাত্র ৭৬ ইনিংসেই ৯টি সেঞ্চুরি রয়েছে এই তারকা ব্যাটাররের।
ক্রিফোস্পোর্টস/১৬মে২৬/বিটি




















