বাংলাদেশ দলের দুই ক্রিকেটার লিটন দাস ও শেখ মেহেদী হাসান শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে আর্থিক জরিমানার মুখে পড়েছেন। দুই ঘটনার তদন্ত ও শুনানি শেষ করে তাদের বিরুদ্ধে জরিমানার সুপারিশ করা হয়েছে। এখন শুধু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অনুমোদন পেলেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
জিম্বাবুয়ে সফরের সময় চোট পেয়ে দেশে ফেরেন লিটন দাস। পরে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়ার আগে তিনি বোর্ডকে না জানিয়ে চীন সফর করেন। নিয়ম অনুযায়ী, জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের বিদেশে যাওয়ার আগে বোর্ডের অনুমতি নিতে হয়। সেই নিয়ম না মানায় লিটনকে ডেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।
অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে একাদশে সুযোগ না পাওয়ার পর এক সাক্ষাৎকারে দল পরিচালনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন শেখ মেহেদী হাসান। তার সেই মন্তব্যও শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করেছে বোর্ড।
দুই ক্রিকেটারকেই আলাদাভাবে ডেকে তাদের বক্তব্য শোনা হয়েছে। তদন্ত শেষে দুজনই নিজেদের ভুল স্বীকার করেছেন। এরপর তাদের বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানার সুপারিশ করা হয়েছে। প্রথম সারির জাতীয় এক দৈনিক গণমাধ্যমের তথ্যানুসারে, বোর্ডের অনুমোদন পেলেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক সিরাজউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর বলেছেন, দুই ক্রিকেটারই নিজেদের ভুল স্বীকার করেছেন। তবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনায় শাস্তি এড়ানোর সুযোগ নেই। বোর্ডের অবস্থান স্পষ্ট খেলোয়াড়, কোচ, কর্মকর্তা কিংবা পরিচালক, যে-ই নিয়ম ভঙ্গ করবেন, তাকেই জবাবদিহি করতে হবে।
তবে জরিমানার পরিমাণ এখনো জানানো হয়নি। বোর্ড সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, শেখ মেহেদীর জরিমানার অঙ্ক লিটন দাসের তুলনায় বেশি হতে পারে। অনুমোদনের পরই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।
ক্রিফোস্পোর্টস/২৩জুলাই২৬/টিএ



