
ঘরের মাঠে সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। যার জের ধরেই শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের (এসএলসি) পরিচালনা পর্ষদকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। পূর্বের কমিটি অপসারণ করে নতুন একটি ৯ সদস্যের ট্রান্সফরমেশন বা পালাবদল কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের নতুন এই পালাবদল কমিটির নেতৃত্ব পেয়েছেন দেশটির সাবেক সংসদ সদস্য এরান বিক্রমারত্নে। তবে কমিটিতে বড় চমক দেশটির সাবেক তিন ক্রিকেটার। যেখানে জায়গা পেয়েছেন শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি ক্রিকেটার কুমার সাঙ্গাকারা। এছাড়া দেশটির সাবেক দুই ক্রিকেটার রোশান মহানামা এবং সিদাথ ওয়েতিমুনিও এই কমিটিতে আছেন। এর বাইরে বাকিরা রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী এবং আইনজীবী।
পালাবদল কমিটির দায়িত্ব নিয়ে প্রধান দুটি লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন এরান বিক্রমারত্নে। এই কমিটির প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের প্রশাসনিক কাঠামো সম্পূর্ণ সংস্কার করে নতুন একটি গঠন্তন্ত্র প্রণয়ন করা। এতদিন ধরে বিদ্যমান গঠন্তন্ত্রের অধীনে অনেক দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা হয়ে আসছিল। যে কারণে নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করতে চায় তারা।
দ্বিতীয় লক্ষ্য হচ্ছে, মাঠের ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কার পারফরম্যান্সের উন্নতি করা। গত এক দশক ধরেই মাঠে আশানুরূপ পারফরম্যান্স করতে পারছে না দলটি। বিশেষ করে ২০১৪ সালের পর কোনো আইসিসি শিরোপা জিততে পারেনি লঙ্কানরা। তাই কাঠামোগত উন্নয়ন ও ক্রিকেটারদের বিশ্বমানের সুবিধা দেবে এই বোর্ড, যাতে তারা পারফরম্যান্সে উন্নতি ঘটাতে পারে।
অবশ্য অতীতে ক্রিকেট বোর্ডে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে আইসিসি শাস্তির মুখে পড়েছিল শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট। ২০২৩ সালে সেই সময়ের ক্রীড়া মন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দায়ে শ্রীলঙ্কাকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছিল বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে এবার আগের কমিটির বিলুপ্তির পর নতুন পালাবদল কমিটি নিয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি আইসিসি।
ক্রিফোস্পোর্টস/৩০এপ্রিল২৬/বিটি



















