
স্পেন ও পর্তুগালের মধ্যকার শেষ ষোলোর লড়াইটি শেষ পর্যন্ত গড়ায় রুদ্ধশ্বাস পরিণতিতে। নির্ধারিত সময়জুড়ে দুই দলের লড়াই ছিল জমজমাট। তবে গোলের দেখা মেলেনি। শেষ পর্যন্ত যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে স্পেন। অন্যদিকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়েছে শেষ ষোলোর বাধাতেই।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে দুই দল। প্রথমার্ধে স্পেনই তুলনামূলক বেশি সুযোগ তৈরি করলেও পর্তুগালও পাল্টা আক্রমণে কয়েকবার স্প্যানিশ রক্ষণকে ব্যস্ত রাখে।
অষ্টম মিনিটে স্পেন এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল। বল নিয়ে প্রতিপক্ষের গোলমুখে ঢুকে পড়েন মিকেল ওইয়ারজাবাল। সামনে কেবল গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তা থাকলেও তার নেওয়া শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। বল পোস্টের পাশ দিয়ে বাইরে চলে যায়।
এরপরই আক্রমণে ওঠে পর্তুগাল। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর জোরালো শট কর্নারের বিনিময়ে ঠেকিয়ে দেন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন। কিছুক্ষণ পর পর্তুগালের গোলরক্ষক কস্তাও টানা দুটি দারুণ সেভ করে দলকে বিপদমুক্ত রাখেন।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে পর্তুগাল আরও একটি ভালো সুযোগ তৈরি করে। ডান দিক থেকে আসা বলে জোয়াও ফেলিক্সের হেড ফিরিয়ে দেন উনাই সিমন। ফিরতি বলে রোনালদো গোলের চেষ্টা করলেও স্পেনের গোলরক্ষক আবারও বল নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন। এরপর নুনো মেন্দেসের দূরপাল্লার শটও স্পেনের রক্ষণ সামলে দেয়। ফলে বিরতিতে যায় দুই দল গোলশূন্য অবস্থায়।
বিরতির পর স্পেন বলের দখল ধরে রেখে একের পর এক আক্রমণ চালায়। পর্তুগাল বেশির ভাগ সময় নিজেদের রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত ছিল। তবে নির্ধারিত নব্বই মিনিটেও কোনো দল গোল করতে পারেনি।
মনে হচ্ছিল ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে। কিন্তু যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটেই আসে সিদ্ধান্ত। ফেররান তোরেসের বাড়ানো বলে বদলি খেলোয়াড় মিকেল মেরিনো কাছ থেকে জালে বল পাঠিয়ে স্পেনকে এগিয়ে দেন।
বাকি সময়ে পর্তুগাল সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও স্পেনের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ১-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন। এই জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় স্প্যানিশরা। আর শেষ ষোলোর বাধাতেই বিশ্বকাপ শেষ হয় রোনালদোদের।
ক্রিফোস্পোর্টস/৭জুলাই২৬/টিএ






















