
পিএসএলের চলতি আসরে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে পারেনি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন লাহোর কালান্দার্স। নিজেদের প্রথম ৭ ম্যাচের মধ্যে ৪টিতেই হেরে যায় তারা। তাতে লিগ পর্ব থেকেই ছিটকে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়। তবে অষ্টম ম্যাচে দারুণ এক জয় নিয়ে শেষ চারের দৌড়ে নিজেদের টিকিয়ে রেখেছে মুস্তাফিজ-ইমনদের ফ্রাঞ্চাইজিটি।
আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) নিজেদের অষ্টম ম্যাচে কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্সের বিপক্ষে ৯ রানে জয় তুলে নিয়েছে লাহোর কালান্দার্স। তাতে ৮ ম্যাচে ৮ জয় নিয়ে টেবিলের চার নম্বরে উঠে এসেছে দলটি।
গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯৭ রান সংগ্রহ করে লাহোর। আগের ম্যাচে বড় ইনিংস খেলেও সেঞ্চুরি মিস করা ফখর জামান আজ আর ভুল করেননি৷ ৫১ বলে ১০৩ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন এই ওপেনার। ১১ চার ও ৬ ছক্কায় জয়সূচক এই ইনিংসটি সাজান ফখর।
ইনজুরিতে ছিটকে পড়া পারভেজ হোসেন ইমনের বদলি হিসেবে লাহোরে যোগ দেওয়া চারিথ আসালাঙ্কা ২৪ বলে ৩১ রান করেন। এছাড়া ড্যানিয়েল সামস ১২ বলে ১৮ এবং আব্দুল্লাহ শফিক ১৫ বলে ১৪ রান করেন। কোয়েটার হয়ে ৪ ওভারে ৩৮ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন খলিল আহমেদ। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন আবরার আহমেদ, উসমান তারিক ও ব্রেট হ্যাম্পটন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮৮ রানের বেশি তুলতে পারেনি কোয়েটা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬২ রানের ইনিংস খেলেন রাইলি রুশো। ২৯ বলে ৫ চার ও ৬ ছক্কায় ইনিংসটি সাজান এই প্রোটিয়া ব্যাটার।
ফিফফি হাকাঁন কোয়েটার ওপেনার সামিউল হুসেইন। ৩১ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৫৩ রানের ইনিংস খেলেন এই তরুণ। এছাড়া এছাড়া অধিনায়ক সৌদ শাকিল ১৭ বলে ১৭, খাজা নাফে ১১ বলে ১২ এবং শেষদিকে ১৪ বলে ২৪ রানের ক্যামিও খেলেন আবরার। তবে জয়ের জন্য তার যথেষ্ট ছিল না।
লাহোরের হয়ে ৪ ওভারে ২৮ রান দিয়ে ২টি উইকেট শিকার করেন হারিস রউফ। এছাড়া একটি করে উইকেট শিকার করেন শাহিন শাহ আফ্রিদি, সিকান্দার রাজা, উসামা মীর ও উবেইদ শাহ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
লাহোর কালান্দার্স : ১৯৭/৬ (২০ ওভার)
কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্স : ১৮৮/৭ (২০ ওভার)
ফলাফল : লাহোর কালান্দার্স ৭ উইকেটে জয়ী
ক্রিফোস্পোর্টস/২১এপ্রিল২৬/বিটি




















