Connect with us
ফুটবল

বলিভিয়াকে হারালেই ৪০ বছর পর বিশ্বকাপ খেলবে ইরাক

Iraq
বিশ্বকাপের দ্বারপ্রান্তে ইরাক। ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিনের অস্থিরতা, সংকট আর নানা সমস্যার মধ্যেও ফুটবলকে ঘিরে ইরাকের মানুষের আগ্রহ কমেনি। সেই ইরাক এখন বিশ্বকাপের মূলপর্বে ওঠার একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। আর এই যাত্রায় দেশটির মানুষের আবেগ ও সমর্থন দেখে অবাক হয়েছেন দলের প্রধান কোচ গ্রাহাম আরনল্ড।

ইরাক ইতোমধ্যে আন্তমহাদেশীয় বাছাইয়ের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। শেষ ধাপে তাদের প্রতিপক্ষ বলিভিয়া। এই ম্যাচে জিতলেই ১৯৮৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলবে ইরাক। প্রায় ৪০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে আর একটি জয় দরকার তাদের।

দলের কোচ আরনল্ড জানান, দায়িত্ব নেওয়ার আগে থেকেই তিনি জানতেন এটি সহজ কাজ হবে না। চার দশক ধরে বিশ্বকাপে উঠতে না পারা একটি দলকে সামনে এগিয়ে নেওয়া ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তার মতে, প্রায় চার কোটি ষাট লাখ মানুষের এই দেশে ফুটবল নিয়ে আবেগ অনেক বেশি, তাই প্রত্যাশার চাপও অনেক।



আগামী ৩১ মার্চ মেক্সিকোর মন্টেরিতে অনুষ্ঠিত হবে ইরাক ও বলিভিয়ার মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি। এই ম্যাচে জিততে পারলে আরনল্ড প্রথম অস্ট্রেলীয় কোচ হিসেবে দুটি ভিন্ন দলকে বিশ্বকাপে তোলার কৃতিত্ব গড়বেন। এর আগে তিনি নিজের দেশ অস্ট্রেলিয়াকে বিশ্বকাপে তুলেছিলেন।

ইরাকের মানুষের ফুটবল ভালোবাসা নিয়ে আরনল্ড বলেন, এখানে আসার পর তিনি বুঝেছেন খেলাটি মানুষের জীবনের অংশ হয়ে আছে। দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বেশিরভাগ সময়ই তিনি বাগদাদে কাটিয়েছেন, যাতে দেশের সংস্কৃতি ও মানুষকে কাছ থেকে জানা যায়।

তিনি বলেন, বাইরে কোথাও গেলে মানুষ তাকে ঘিরে ধরে, ছবি তুলতে চায়। এতে বোঝা যায় দলকে নিয়ে মানুষের আগ্রহ কতটা বেশি।

গত নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তের গোলে জয়ের পর পুরো দেশে আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। রাজধানী বাগদাদসহ বিভিন্ন জায়গায় মানুষ রাস্তায় নেমে উদযাপন করে। সেই দৃশ্য দেখে আরও অনুপ্রাণিত হয়েছেন কোচ।

তবে তিনি এখনই আত্মতুষ্ট নন। তার মতে, দল এখনও বিশ্বকাপে ওঠেনি। শেষ ম্যাচ জিততে পারলেই লক্ষ্য পূরণ হবে। সেই লক্ষ্যে খেলোয়াড়রাও সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, বহু প্রতীক্ষার সেই স্বপ্ন ইরাক পূরণ করতে পারে কি না।

ক্রিফোস্পোর্টস/২৯মার্চ২৬/টিএ

Crifosports announcement

Focus

More in ফুটবল