
মার্চের আন্তর্জাতিক বিরতিতে ইরানের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে সুখবর দিয়েছিলেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তিনি জানিয়েছিলেন, আসন্ন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নেবে ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ম্যাচ না সরালে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
মূলত চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ইরানের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি ফিফা সভাপতি আশার কথা শোনালেও নিজেদের অবস্থানে এখনো কোনো পরিবর্তন আনেনি ইরান। তারা তাদের ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকোতে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ফিফাকে।
এমন পরিস্থিতিতে ম্যাচগুলো সরিয়ে না নিলে ইরানের অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে বলে জানিয়েছেন ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ দানিয়ামালি। তবে ফিফা তাদের অনুরোধ মেনে নিলে বিশ্বকাপে অংশ নেবে ইরান।
এ প্রসঙ্গে তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলুকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দানিয়ামালি বলেন, ‘ফিফার প্রতি আমাদের অনুরোধ এখনো বহাল আছে। কিন্তু আমরা এখনো কোনো সাড়া পাইনি। যদি আমাদের অনুরোধ গ্রহণ করা হয়, তাহলে আমরা বিশ্বকাপে অংশ নেব।’
যদিও অনুরোধ বহাল থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো উত্তর দেয়নি ফিফা। ফিফার সাড়া না পেলে এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ইরানের বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনা খুবই কম বলে জানিয়েছেন দানিয়ামালি। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোনো উত্তর দেয়নি ফিফা। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচগুলোতে ইরানের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা খুবই কম।’
বিশ্বকাপে ইরান রয়েছে গ্রুপ-জি তে। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে বেলজিয়াম, মিশর ও নিউজিল্যান্ড। গ্রুপ পর্বে তাদের সবগুলো ম্যাচই রাখা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে। অবশ্য ইরানের ম্যাচগুলো মেক্সিকোতে আয়োজনের জন্যও কোনো বাধা নেই বলে মেক্সিকো বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল।
তবে বর্তমান সূচি অনুযায়ী, ১৬ জুন ক্যালিফর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা রয়েছে ইরানের। এরপর ২১ জুন একই মাঠে তাদের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম। এরপর ২৭ জুন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ওয়াশিংটনের সিয়াটল স্টেডিয়ামে মিশরের মুখোমুখি হওয়ার কথা রয়েছে ইরানের।
ক্রিফোস্পোর্টস/৬এপ্রিল২৬/বিটি





















