Connect with us
ফুটবল

বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করলেন ইরান ফুটবলের সভাপতি

Iran football team
ইরান ফুটবল দল। ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন বিশ্বকাপ ফুটবলে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে আবারও অনিশ্চয়তার কথা বলেছেন দেশটির ফুটবল সংস্থার সভাপতি মেহদি তাজ। অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত নারী এশিয়া কাপের সময় ইরান নারী দলের কয়েকজন খেলোয়াড় আশ্রয় নেওয়ার পর তিনি এই মন্তব্য করেন।

২০২৬ সালের বিশ্বকাপ শুরু হবে ১১ জুন। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হবে এই আসর। তবে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে ইরান। এমন অবস্থায় বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মেহদি তাজ।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মিনাব শহরের একটি স্কুলে বোমা হামলায় বহু মানুষ নিহত হয়েছে এবং এই ঘটনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করছে ইরান। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নারী ফুটবলারদের রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার বিষয়ে মন্তব্য করেছেন।



মেহদি তাজ বলেন, আমাদের শিশুদের হত্যা করা হয়েছে, আবার এখন আমাদের খেলোয়াড়দের আশ্রয় দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ নিয়ে আমরা কীভাবে আশাবাদী হবো?

তিনি আরও বলেন, এমন পরিস্থিতিতে কোনো দেশের স্বাভাবিক চিন্তাভাবনাসম্পন্ন মানুষই তার জাতীয় দলকে ওই দেশে পাঠাতে চাইবে না।

আগামী বিশ্বকাপে ‘জি’ গ্রুপে খেলবে ইরান। তাদের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম, মিসর ও নিউজিল্যান্ড। ইরানের দুটি ম্যাচ হবে লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং একটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সিয়াটলে।

সম্প্রতি নারী এশিয়া কাপ খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিল ইরানের নারী ফুটবল দল। প্রতিযোগিতার গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার পর দলের মোট সাতজন সদস্য অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় নেন। তাদের মধ্যে ছয়জন খেলোয়াড় এবং একজন সহায়ক সদস্য রয়েছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে এক ম্যাচের আগে জাতীয় সংগীত না গাওয়ায় কয়েকজন খেলোয়াড়কে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলা হয়। দেশে ফিরে শাস্তির আশঙ্কা থেকে তারা অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয়ের আবেদন করেন বলে জানা গেছে। তবে পরবর্তী দুই ম্যাচে খেলোয়াড়রা জাতীয় সংগীত গেয়েছেন।

এ বিষয়ে মেহদি তাজ বলেন, ইরানের নারী দল জাতীয় সংগীত গেয়েছে এবং দেশের প্রতি সম্মান জানিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, কয়েকজন নারী খেলোয়াড়কে জোর করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং দল যখন অস্ট্রেলিয়া ছাড়তে চেয়েছিল তখন বাধা দেওয়া হয়েছে। তবে এই অভিযোগের পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ দেননি।

ক্রিফোস্পোর্টস/১১মার্চ২৬/টিএ

Crifosports announcement

Focus

More in ফুটবল