নিরাপত্তা ইস্যুতে মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার জের ধরে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ দল। ইতোমধ্যে দেশে আইপিএলের সম্প্রচারেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। তা নিয়েই আলোচনা চলছে ক্রিকেট-পাড়ায়। এবার যুক্ত হয়েছে নতুন সংকট।
ভারত-পাকিস্তান রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে ভিসা জটিলতায় আটকে আছে বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া কয়েকটি দল। বিশেষ করে ভিসা জটিলতায় আটকে আছে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটাররা।
সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি ও কানাডার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে রয়েছেন একাধিক পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার। ভিসা জটিলতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলো ইতোমধ্যে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বিসিসিআইকে চিঠি দিয়েছে। তবে এখনও কোনো সমাধান বা আনুষ্ঠানিক জবাব পায়নি তারা।
এদিকে দরজায় কড়া নাড়ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম জমজমাট এই আসর। বিশ্বকাপের আগে হাতে সময় আছে মাত্র ৩০ দিন। তাই পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের ভিসা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বোর্ডগুলোর।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘আলাদাভাবে চিঠি দিয়ে কোনো ফল না পাওয়ায় পাঁচটি বোর্ড একসঙ্গে আইসিসিকে আবারও চিঠি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দ্রুত সমাধান চাইছে তারা।’
ভিসা সংকটের মূল কারণ ২০২৫ সালের মার্চে পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর দুই দেশের মধ্যে জটিল কূটনৈতিক সম্পর্ক। এর পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ ও ভিসা সেবায় কড়াকড়ি আরোপ করেছে ভারত। এর প্রভাব এখন পড়েছে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের ওপর।
তবে ভিসা নিয়ে তেমন চিন্তিত নয় পাকিস্তান দল। আইসিসি ইভেন্টেও হাইব্রিড মডেল অনুসরণ করছে দুই বোর্ড। সে অনুযায়ী, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান তাদের সব ম্যাচ খেলবে শ্রীলঙ্কায়।
ক্রিফোস্পোর্টস/৬জানুয়ারি২৬/এআই
