Connect with us
ক্রিকেট

যদি পারতাম মিরপুরের উইকেট শ্রীলঙ্কায় নিয়ে যেতাম: বিনুরা

binura
বিনুরা ফার্নান্দো। ছবিঃ সংগৃহীত

দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সিলেটের বিপক্ষে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স বড় সংগ্রহ পায়নি। নির্ধারিত ২০ ওভারে রাজশাহী সংগ্রহ করে ১৬৫ রান। ১৬৫ রান টি–টোয়েন্টির হিসেবে বড় স্কোর না হলেও লড়াই করার মতো। আর সেই মাঝারি লক্ষ্যকেই কঠিন করে তুলেছিলেন শ্রীলঙ্কান বাঁহাতি পেসার বিনুরা ফার্নান্দো। ম্যাচ শেষেও জানান সুযোগ পেলে এই উইকেট শ্রীলঙ্কায় নিয়ে যেতেন।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন তিনি। সিলেট টাইটান্সের ইনিংসের প্রথম ধাক্কা আসে তার হাত ধরেই। মাত্র ৭ রানের মধ্যেই ফেরান জাকির হাসান ও আরিফুল ইসলামকে। প্রথম দুই ওভার শেষে তার বোলিং ফিগার ছিল ২ ওভারে ৩ রান, ২ উইকেট যা মূলত ম্যাচের চিত্র বদলে দেয়।

মাঝের ওভারগুলোতে চাপ ধরে রাখার পর ১৮তম ওভারে আবার আক্রমণে ফিরে আরও দুই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন বিনুরা। এবার তার শিকার হন মেহেদী হাসান মিরাজ ও খালেদ আহমেদ। শেষ ওভারে সিলেটের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২৪ রান। বোলিংয়ে আসেন বিনুরা। ৬ বলে একটি চার ও একটি ছক্কা হজম করলেও ততক্ষণে ম্যাচ রাজশাহীর নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। শেষ পর্যন্ত চার ওভারে ১৯ রান দিয়ে ৪ উইকেটে শেষ করেন তিনি। এমন পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরার পুরস্কারও পান তিনি।



পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে উঠে মিরপুরের উইকেট নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন বিনুরা। হাসতে হাসতে বলেন, এই উইকেট তার এতটাই পছন্দ হয়েছে যে সুযোগ থাকলে প্যাক করে শ্রীলঙ্কায় নিয়ে যেতেন।

রাজশাহীর বোলিং পরিকল্পনায় শুরু ও শেষের ওভারে তার ব্যবহারই ছিল মূল টার্নিং পয়েন্ট। মাঝারি সংগ্রহ নিয়েও দলকে ফাইনালে তুলে নেওয়ার পেছনে তাই বড় অবদান এই বাঁহাতি পেসারের। মিরপুরে তার নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেন্থ আর বাউন্স সিলেটের ব্যাটারদের স্বস্তিতে খেলতে দেয়নি। সবার সম্মিলিত পারফরম্যান্সেই রাজশাহী ১২ রানের জয় পায় এবং দল ফাইনালের টিকিট পায়। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ প্রথম কোয়ালিফায়াত জেতা চট্টগ্রাম রয়্যালস।

ক্রিফোস্পোর্টস/২২জানুয়ারি২৬/টিএ

Crifosports announcement

Focus

More in ক্রিকেট