
চলতি বছরের জুনে মাঠে গড়াবে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আসন্ন এই বিশ্বকাপের জন্য রেকর্ডগড়া প্রাইজমানি ঘোষনা করেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
প্রথমবারের মতো ১২ দল নিয়ে মাঠে গড়াচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। নতুন আসরের জন্য প্রাইজমানিও বাড়িয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ২০২৬ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ৮৭ লাখ ৬৪ হাজার ৬১৫ ডলার প্রাইজমানি রেখেছে আইসিসি যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০৮ কোটি টাকা। যা নারী ক্রিকেটের যেকোনো ফরম্যাটের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ বরাদ্দ।
মেয়েদের সর্বশেষ ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চেয়ে এবার প্রাইজমানি ১০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। ২০২৪ সালে ১০ দলের সেই আসরের জন্য ৭৯ লাখ ৫৮ হাজার ৭৭ ডলার প্রাইজমানি রেখেছিল আইসিসি।
এবারের নারী বিশ্বকাপ জয়ীরা পাবে ২৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৮ কোটি ৮০ লাখ টাকারও বেশি। আর রানার্সআপ দল পাবে তার অর্ধেক। শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে যারা হারবে তারা ১১ লাখ ৭০ হাজার ডলার বা ১৪ কোটি ৪০ লাখ টাকার বেশি প্রাইজমানি পাবে।
সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়া দুটি দলও মোটা অঙ্কের প্রাইজমানি পাবে। তাদের পকেটে ঢুকবে ৬ লাখ ৭৫ হাজার ডলার করে যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮ কোটি ৩০ লাখ টাকারও বেশি। এছাড়া গ্রুপ পর্বে প্রতিটি ম্যাচ জয়ের জন্য ৩১ হাজার ১৫৪ ডলার বা ৩৮ লাখ ৩০ হাজার টাকারও বেশি বরাদ্দ রয়েছে।
অবশ্য কোনো ম্যাচ না জিতেও মোটা অঙ্কের টাকা প্রাইজমানি পাবে দলগুলো। কেবল বিশ্বকাপে অংশ নিয়েই ন্যূনতম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ ডলার বা প্রায় ৩ কোটি ৫ লাখ টাকা করে প্রাইজমানি পাবে দলগুলো। সেক্ষেত্রে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েই কোনো ম্যাচ না জিতলেও ৩ কোটি ৫ লাখ টাকা পাবে বাংলাদেশের মেয়েরা।
আগামী ১২ জুন থেকে ৫ জুলাই ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর অনুষ্ঠিত হবে। আসন্ন এই টুর্নামেন্টে গ্রুপ-১ তে খেলবে বাংলাদেশ। এই গ্রুপে টাইগ্রেসদের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডস।
ক্রিফোস্পোর্টস/১৩এপ্রিল২৬/বিটি





















