বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর প্রথমবারের মতো মাঠে ফিরলেন লিওনেল মেসি। প্রায় দুই সপ্তাহ বিশ্রামে থাকার পর তিনি নিজের ক্লাবের হয়ে খেলতে নামেন। তবে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচটি স্মরণীয় করতে পারেননি আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। মাঠে নেমেই গোলের দারুণ একটি সুযোগ নষ্ট করে সবাইকে অবাক করেছেন তিনি।
কলাম্বাসের বিপক্ষে নিজেদের মাঠে ম্যাচটি শুরু করেননি মেসি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে তাঁকে বদলি হিসেবে মাঠে নামানো হয়। মাঠে প্রবেশের সময় গ্যালারিতে থাকা সমর্থকেরা দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান। বিশ্বকাপের পর প্রিয় তারকাকে আবার খেলতে দেখে আনন্দে মেতে ওঠেন দর্শকেরা।
মাঠে নামার মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই গোল করার সুযোগ পেয়ে যান মেসি। লুইস সুয়ারেজের কাছ থেকে বল পেয়ে প্রতিপক্ষের গোলমুখে বাঁ পায়ের শট নেন তিনি। কিন্তু সবার বিস্ময় জাগিয়ে বলটি পোস্টের পাশ দিয়ে বাইরে চলে যায়। সহজ সেই সুযোগ নষ্ট হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েন গ্যালারিতে থাকা সমর্থকেরাও।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য দারুণ ছিল মায়ামির। সুয়ারেজের নেতৃত্বে প্রথমার্ধেই দুই গোলের ব্যবধানে এগিয়ে যায় দলটি। একটি গোলে সরাসরি অবদান রাখার পাশাপাশি আরেকটি গোল তৈরিতেও ভূমিকা রাখেন তিনি। কিন্তু বিরতির আগেই একটি আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান কমিয়ে ফেলে প্রতিপক্ষ।
দ্বিতীয়ার্ধে মেসি মাঠে নামার পর মায়ামি আরও কয়েকটি আক্রমণ গড়ে তোলে। তবে কাঙ্ক্ষিত তৃতীয় গোল আর আসেনি। উল্টো ম্যাচের শেষ দিকে আরেকটি গোল করে সমতায় ফেরে কলাম্বাস। শেষ পর্যন্ত ২-২ সমতায় শেষ হয় ম্যাচটি। ফলে নিশ্চিত জয়ের খুব কাছে গিয়েও দুই পয়েন্ট হারাতে হয় মায়ামিকে।
এই ম্যাচে মেসির সঙ্গে মাঠে ছিলেন তাঁর দীর্ঘদিনের সতীর্থ রদ্রিগো দে পলও। বিশ্বকাপ শেষে দুজনই বিশ্রামে ছিলেন। তাই আগের দুটি ম্যাচে তাদের দেখা যায়নি। অনুশীলনে ফেরার পর এবারই প্রথম আবার মাঠে নামলেন তারা।
এখন মায়ামির সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ। কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন প্রতিযোগিতায় মাঠে নামবে দলটি। সেই ম্যাচে গোল করে ছন্দে ফেরার লক্ষ্য থাকবে মেসির। সমর্থকেরাও আশা করছেন, বিশ্বকাপের হতাশা পেছনে ফেলে খুব দ্রুতই নিজের স্বাভাবিক খেলায় ফিরবেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
ক্রিফোস্পোর্টস/২আগস্ট২৬/টিএ



