অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দীর্ঘদিন খেললেও বাংলাদেশের বিপক্ষে খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি জশ হ্যাজলউডের। তাই আসন্ন দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজকে তিনি নতুন অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছেন। প্রতিপক্ষ সম্পর্কে সীমিত ধারণা এবং ডারউইনের উইকেট দুই মিলিয়ে সিরিজটি নিয়ে বেশ রোমাঞ্চ অনুভব করছেন এই অভিজ্ঞ পেসার।
অস্ট্রেলিয়ার ঘোষিত দলে বাংলাদেশের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে হ্যাজলউড ও অ্যালেক্স ক্যারির। তবুও তিন সংস্করণ মিলিয়ে তাঁদের ম্যাচসংখ্যা মাত্র নয়টি। টেস্টে হ্যাজলউড বাংলাদেশের মুখোমুখি হয়েছেন একবারই, সেটিও ২০১৭ সালে মিরপুরে। সেই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া হেরেছিল ২০ রানে, আর উইকেটের দেখা পাননি তিনি।
একটি আলোচনায় হ্যাজলউড বলেন, নতুন কোনো সিরিজ শুরুর আগে প্রতিপক্ষ ও উইকেট সম্পর্কে কিছুটা অনিশ্চয়তা থাকেই। তবে সেটিকে তিনি উপভোগ করেন। তাঁর মতে, মাঠে নেমে পরিস্থিতি বুঝে পরিকল্পনা বদলানোর সুযোগই ক্রিকেটকে আরও উপভোগ্য করে তোলে।
তিনি জানান, ভিডিও দেখে প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের সম্পর্কে ধারণা নেওয়া সম্ভব হলেও মাঠের বাস্তবতা অনেক সময় ভিন্ন হয়। তাই ম্যাচ চলাকালেই নতুন পরিকল্পনা করতে হতে পারে। এই চ্যালেঞ্জই তাঁকে বেশি উৎসাহ দেয়।
এদিকে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার কেন রিচার্ডসনের ধারণা, ডারউইনের উইকেট অন্য অস্ট্রেলীয় মাঠের মতো খুব বেশি গতি বা অতিরিক্ত বাউন্স দেবে না। তাঁর মতে,
বাউন্সের কারণে এই উইকেট অনেকটাই বাংলাদেশের কন্ডিশনের কাছাকাছি হতে পারে। তাই পেসারদেরও নিজেদের পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন আনতে হতে পারে।
আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনের মারারা মাঠে শুরু হবে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার প্রথম টেস্ট। তার আগে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ দিয়ে নিজেদের প্রস্তুতি ঝালিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ দল।
ক্রিফোস্পোর্টস/৬আগস্ট২৬/টিএ



