প্রথম দেশ হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে ইরান। তবে জায়গা নিশ্চিত করার পর থেকেই শুরু আলোচনা, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বিশ্বকাপে ইরানের খেলা শুরু হয় শঙ্কা। গত ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ড্র বর্জন করার ঘোষণা দিলেও পরে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে ইরানের কর্মকর্তারা।
ড্র তে গ্রুপ প্রতিপক্ষ আর সূচি চূড়ান্ত হলেও নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে আবারও দেখা দিয়েছে শঙ্কা। ইরানকে ছাড়াই শুরু হতে পারে ৪৯ দলকে নিয়ে বিশ্বকাপের লড়াই, সেক্ষেত্রে ইরানের জায়গায় সুযোগ পাবে কারা, সেটি নিয়ে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে আলোচনা।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের পূর্ণ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে ইরান। কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতি বাদে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে যেতে পারবেন না নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা কেউ। যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ ছাড়ের একটি হলো খেলোয়াড় ও কোচদের জন্য, অর্থাৎ ওই নিষেধাজ্ঞার বাহিরে থাকে ফুটবল দল এবং তাদের সহায়ক স্টাফরা।
যদি রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে ইরান বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে বা টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে অক্ষম হয়, তাহলে ফিফার নিয়মাবলী অনুযায়ী একটি দলের পরিবর্তে নির্ধারিত বিকল্প দলকে রাখা হবে, যা সাধারণত সংশ্লিষ্ট যোগ্যতার প্লে-অফের সরাসরি রানার-আপ বা সেই মহাদেশের উচ্চতম র্যাংকিংয়ে থাকা বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করতে না পারা দল।
ইরান খেলতে না পারলে ফিফার সামনে দুটি সম্ভাব্য সমাধান থাকবে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের পেছনে থেকে নিজেদের এশিয়ান গ্রুপে সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকা অযোগ্য দল ছিল, পাশাপাশি তারা কনফেডারেশন প্লে-অফে ইরাকের কাছে হেরে যায়। আরেকটি বিকল্প হতে পারে বিশ্বকাপে ইরানের জায়গায় ইরাককে অন্তর্ভুক্ত করা এবং মার্চে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফে ইরাকের পরিবর্তে আমিরাতকে সুযোগ দেওয়া।
এ বিষয়ে ফিফার বিধিমালায় বলা হয়েছে, ‘যদি দল বদল বাস্তবায়ন করা সম্ভব না হয় (সময়সূচি, ভিসা বা ভ্রমণ জটিলতার কারণে), তাহলে সূচি অপরিবর্তিত রেখে গ্রুপের স্থানটি একটি বিকল্প দলকে দেওয়া যেতে পারে; অথবা ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে গ্রুপ বিন্যাসে পরিবর্তন আনা হতে পারে।’
আসন্ন বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘জি’ তে আছে ইরান। এই গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম, মিসর ও নিউজিল্যান্ড।
ক্রিফোস্পোর্টস/১৭জানুয়ারি২৬/এআই
