স্বাগতিক সিলেটের বিপক্ষে দাপুটে জয় নিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। রসিংটন আর মোহাম্মদ নাঈমের ফিফটিতে স্বাগতিকদের দেওয়া ১২৭ রানের লক্ষ্যে পৌঁছেছে ৯ উইকেট আর ২৪ বল হাতে রেখেই।
ম্যাচে টসে জিতে সিলেটকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানায় চট্টগ্রাম। ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালো করতে পারেনি স্বাগতিকরা, নিয়মিত বিরতিতে হারাতে থাকে উইকেট। দলীয় ৫ রানে ফেরেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ভালো করতে পারেনি আফগান মারকুটে ব্যাটার হজরতউল্লাহ জাজাই, ফিরেছেন ৭ বলে ৪ করে।
দলীয় ২৬ রানে জাজাইয়ে বিদায়ের পর ১৫ বলে ১৫ করে ফেরেন জাকির হোসেন, প্রথম বলেই ফেরেন ইথান ব্রুকস। সিলেটের সংগ্রহ দাড়ায় ২৬ রানে ৪ উইকেট।
দলকে চাপের মুখ থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন পারভেজ হোসেন ইমন ও আফিফ হোসেন। তবে দলীয় ৩৪ রানে ব্যক্তিগত ৪ করে ফেরেন আফিফ।
আফিফের বিদায়ের পর আফগান পেস অলরাউন্ডার আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের সাথে জুটি বেঁধে চাপ সামলানোর চেষ্টা করেন ইমন। দলীয় ৭৭ ও ব্যক্তিগত ১৭ করে ফেরেন ইমন, ওমরজাই ফিরেছেন ৪১ বলে ৪৪ করে।
শেষে জাভেদের অপরাজিত ১৭ ও নাসুমের অপরাজিত ১৩ রানে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা। চট্টগ্রামের হয়ে দুটি করে উইকেট পেয়েছেন শেখ মেহেদী ও মির্জা তাহির; শরিফুল, মুকিদুল,আমির জামালদের সংগ্রহ ১টি করে উইকেট।
১২৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় চট্টগ্রাম। দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ও রসিংটনের ওপেনিং জুটিতে আসে ১১৫ রান। ৩৭ বলে ৫২ করে নাঈম ফিরলেও ৫৩ বলে অপরাজিত ৭৩ করেন রসিংটন। তাতেই ৯ উইকেট আর ২৪ বল হাতে রেখেই বড় জয় পায় চট্টগ্রাম।
এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে চট্টগ্রাম। ৪ ম্যাচে তাদের জয় ৩টিতে, সমান জয় নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় অবস্থানে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ৩ ম্যাচে ২ জয় নিয়ে তালিকার তৃতীয় অবস্থানে রংপুর রাইডার্স, ৫ ম্যাচে ২ জয় নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে সিলেট। ৩ ম্যাচে ১ জয়ে পঞ্চম অবস্থানে ঢাকা ক্যাপিটালস আর ৩ ম্যাচে ৩ হারে টেবিলের তলানিতে নোয়াখালী এক্সপ্রেস।
ক্রিফোস্পোর্টস/৪জানুয়ারি২৬/এআই
