
গত দুই-তিন মৌসুম ধরে আইপিএল মানেই ব্যাটারদের তাণ্ডব। বিশেষ করে চলতি আসরজুড়েই তাণ্ডবলীলা চালাচ্ছেন ব্যাটাররা। তবে ব্যাটারদের তাণ্ডবলীলার মাঝেই এবার ঝলক দেখালেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বোলাররা। আগের ম্যাচেই আড়াইশ’র বেশি রান করা দিল্লি ক্যাপিটালসকে আশির ঘরের গুড়িয়ে রেকর্ডগড়া জয় তুলে নিয়েছে বেঙ্গালুরু।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) আইপিএলের ম্যাচে বেঙ্গালুরুর দাপুটে বোলিংয়ে মাত্র ৭৫ রানেই গুটিয়ে যায় দিল্লি। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৬.৩ ওভারেই ১ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বেঙ্গালুরুর।
ঘরের মাঠে এদিন আগে ব্যাট করতে নেমে বেঙ্গালুরুর বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি দিল্লি। জশ হ্যাজেলউড ও বুভনেশ্বর কুমারের বোলিং তোপে প্রথম ৪ ওভারে দলীয় ৮ রানের মধ্যেই ৬টি উইকেট হারায় তারা। এরপর অক্ষর প্যাটেলের ৩০, ডেভিড মিলারের ১৯ এবং কাইল জেমিসনের ১২ রানে ভর করে টেনেটুনে আশির ঘরে গিয়ে গুটিয়ে যায় দিল্লি।
বেঙ্গালুরুর হয়ে ৩.৩ ওভারে ১২ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করেন হ্যাজেলউড। ৩ ওভারে মাত্র ৫ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন বুভনেশ্বর। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন রাশিখ সালাম, সুয়াশ শর্মা ও ক্রুনাল পান্ডিয়া।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১১ বলে ২০ করে ফিরে যান জ্যাকব বেথেল। এরপর বিরাট কোহলি ও দেবদূত পাডিক্কালের ২২ বলে ৫১ রানের অপরাজিত জুটিতে ৯ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে বেঙ্গালুরু৷ কোহলি ১৫ বলে ২৩ এবং পাডিক্কাল ১৩ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন। দিল্লির হয়ে একমাত্র উইকেটটি নেন কাইল জেমিসন।
দিল্লির বিপক্ষে ৮১ বল হাতে রেখেই ম্যাচটি জিতে নিয়েছে বেঙ্গালুরু। আইপিএলে এটি তাদের সর্বোচ্চ বল হাতে রেখে জয়ের রেকর্ড। এর আগে ২০১৭ সালে পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে ৭৩ বল হাতে রেখে জিতেছিল কোহলিরা। এছাড়া আইপিএলের ইতিহাসে বলের হিসাবে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জয়।
আউপিএলে বলের হিসাবে জয়ের রেকর্ডে শীর্ষে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ৮৭ বল হাতে রেখে জয়ের কীর্তি। ২০০৮ সালে ওয়াংখেড়েতে ৮৭ বল হাতে রেখে ৬৮ রানের টার্গেট তাড়া করে জিতেছিল মুম্বাই।
ক্রিফোস্পোর্টস/২৭এপ্রিল২৬/বিটি



















