বিপিএলে ফের বিতর্কে বিসিবির অ্যান্টি করাপশন ইউনিট (আকু)। অনুমতি ও আগে থেকে জানানো ছাড়াই আফগান ব্যাটার রহমানউল্লাহ গুরবাজের হোটেল রুমে ঢুকে জিজ্ঞাসাবাদের অভিযোগ তুলেছে ঢাকা ক্যাপিটালসের সিইও আতিক ফাহাদ।
গতকাল (শুক্রবার) ঢাকা ক্যাপিটালসের টিম হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে এই ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সিইও আতিক ফাহাদ। একই সঙ্গে তিনি বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
আতিক ফাহাদের অভিযোগ, শুক্রবার সকালে কোনো পূর্ব নোটিস ছাড়াই আকুর কয়েকজন সদস্য গুরবাজের রুমে ঢুকে পড়েন। তিনি বলেন, সারারাত গুরবাজ ঘুমাতে পারেনি। ভোর ৬-৭ টার দিকে তিনি ঘুমিয়েছে। কাঁচা ঘুম অবস্থায়ই তার রুমে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করে ইন্টেগ্রিটি ইউনিট। কাঁচা ঘুমে থাকা গুরবাজ তখনো পরিস্থিতি বুঝতে পারেননি যে কি হচ্ছে। টিম ম্যানেজার কিংবা খেলোয়াড়দের কাউকেই বিষয়টি আগে থেকে জানানো হয়নি। শুধু দরজায় নক করে ভেতরে ঢুকে পড়েন আকুর সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে আতিক ফাহাদ বলেন, ওই সময় গুরবাজ ছিলেন ঘুমের ঘোরের মধ্যে। কয়েক মিনিট ধরে তিনি বুঝতেই পারছিলেন না, কী ঘটছে। পরে জানা যায়, তারা অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের সদস্য। তারপর তারা তাকে বিভিন্ন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে। আর জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে গুরবাজের মোবাইল ফোনও পরীক্ষা করা হয়।
এ বিষয়ে আতিক ফাহাদ জানান, ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়ে গুরবাজ পরে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাদের কাছে জানতে চান এভাবে এন্টি করাপশন ইউনিট কাজ করতে পারে কি না? আফগানিস্তানের অ্যান্টি করাপশন ইউনিট তাকে স্পষ্ট করে জানায়, এ ধরনের জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে আগে টিম ম্যানেজারকে জানানো বাধ্যতামূলক। ম্যানেজারের মাধ্যমে খেলোয়াড়ের সম্মতি নিতে হবে এবং সুযোগ বুঝে সময় নিতে হবে তারপরই জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত।
ঢাকা ক্যাপিটালসের সিইও মনে করেন, একজন বিদেশি খেলোয়াড়ের রুমে এভাবে ঢুকে জিজ্ঞাসাবাদ করা আইসিসির নীতিমালার সঙ্গেও যায় না। আতিকের দাবি, ঘটনার পর গুরবাজ তাকে জানিয়েছেন, এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে ভবিষ্যতে তিনি এই লিগে খেলতে আসতে পারবেন না।
আতিক ফাহাদ আরও অভিযোগ করে বলেন, তদন্তে সহযোগিতা করার জন্য ৭২ ঘণ্টার জন্য আমার ফোন নেওয়া হয়। অথচ ৬ দিন পার হয়ে গেলেও এখনো ফোন ফেরত দেওয়া হয়নি।
ক্রিফোস্পোর্টস/১০জানুয়ারি২৬/টিএ
