লা লিগায় শীর্ষস্থান আরও শক্ত করল বার্সেলোনা। এলচের মাঠে দাপুটে পারফরম্যান্সে ৩-১ গোলের জয় তুলে নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে ব্যবধান বাড়াল হান্সি ফ্লিকের দল।
শনিবার রাতে ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখায় বার্সেলোনা। ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যায় সফরকারীরা। মাঝমাঠ থেকে দানি ওলমোর বাড়ানো থ্রু বলে বক্সে ঢুকে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন লামিনে ইয়ামাল। স্প্যানিশ এই উইঙ্গারের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে লিড পায় বার্সা।
গোলের পরও আক্রমণ কমায়নি কাতালানরা। ১৬ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েও লক্ষ্যভ্রষ্ট হন ওলমো। ২৮ মিনিটে তার শট ঠেকায় ক্রসবার। তবে খেলায় ফিরতে সময় নেয়নি এলচে। ২৯ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে বক্সে ঢুকে নিচু শটে সমতা ফেরান আলভারো রদ্রিগেস।
সমতায় ফেরার পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল বার্সেলোনার হাতেই। ৪০ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় তারা। বক্সের ভেতরে বল পেয়ে গোলরক্ষক ইনিয়াকি পেনিয়াকে কাটিয়ে দেন ফ্রেংকি ডি ইয়ং। এরপর ডাচ মিডফিল্ডারের পাস থেকে জোরালো শটে জাল খুঁজে নেন ফেররান তরেস।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ানোর লক্ষ্যেই মাঠে নামে বার্সেলোনা। বিরতির পর রাফিনিয়ার জায়গায় নামেন মার্কাস র্যাশফোর্ড। ৬২ মিনিটে আরও আক্রমণাত্মক হতে তরেস ও ওলমোর বদলে নামানো হয় রবার্ট লেভানদোভস্কি ও মার্ক বের্নালকে।
এরপর ৭২ মিনিটে ম্যাচ মূলত হাতের নিজেদের করে নেয় বার্সেলোনা। ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে ইয়ামালের পাস প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডার ঠেকালেও ফিরতি বলে জোরাল শটে গোল করেন র্যাশফোর্ড। বদলি নেমে ব্যবধান বাড়ানো এই গোলেই নিশ্চিত হয় জয়।
ম্যাচজুড়ে ৬১ শতাংশ বল দখলে রেখে বার্সেলোনা নেয় ৩০টি শট, যার আটটি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে এলচে নেয় নয়টি শট, লক্ষ্যে ছিল তিনটি।
এই জয়ে ২২ ম্যাচে ১৮ জয় ও এক ড্রয়ে বার্সেলোনার সংগ্রহ ৫৫ পয়েন্ট। এক ম্যাচ কম খেলে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। অন্যদিকে ২২ ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ১২ নম্বরে অবস্থান করছে এলচে।
ক্রিফোস্পোর্টস/১ফেব্রুয়ারি২৬/টিএ
