
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১৭তম বনাম ১১২তম; কাগজে-কলমে এই লড়াই ছিল অসম। তবে মাঠের লড়াইয়ে সেই পরিসংখ্যানকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চীনের মতো এশিয়ান পরাশক্তির বিপক্ষে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। ৯ বারের এশিয়ান চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ২-০ গোলে হারলেও, হার না মানা মানসিকতায় ফুটবল ভক্তদের মন জয় করে নিয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
এশিয়ান কাপের সফলতম দল চীন তাদের শেষ ১০ ম্যাচে গোল করেছে ২৬টি। ম্যাচপ্রতি তাদের গোলের গড় যেখানে ২.৬, সেখানে বাংলাদেশ পুরো ম্যাচে হজম করেছে মাত্র দুটি গোল। ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষ দিকে ৪৪ মিনিটে ওয়াং সুয়াং এবং যোগ করা সময়ে (৪৬ মিনিট) ঝ্যাং রুই গোল দুটি করেন। তবে বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধে চীনকে আর কোনো গোল করতে দেয়নি বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক। বিশেষ করে গোলরক্ষকের ৮টি অসাধারণ সেভ ব্যবধান বাড়তে দেয়নি।
ম্যাচে রক্ষণ সামলাতে ব্যস্ত থাকলেও প্রতি-আক্রমণে চীনকে ভড়কে দিয়েছিল বাংলাদেশ। ম্যাচের ১৪ মিনিটে ঋতুপর্ণা চাকমার একটি বাঁ পায়ের দূরপাল্লার শট অল্পের জন্য জালের দেখা পায়নি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও গোল করার চেষ্টা করেছিলেন এই ফরোয়ার্ড। এই সুযোগগুলো কাজে লাগলে ম্যাচের ফলাফল ভিন্ন হতে পারত।

পরিসংখ্যান যা বলছে
ম্যাচে ৫৯.৬ শতাংশ বল দখলে রেখেছিল চীন, বিপরীতে বাংলাদেশ বল দখলে রেখেছিল ৪০.৪ শতাংশ। চীন ২৪টি শট নিলেও তার ১০টি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে বাংলাদেশ নিতে পেরেছে ৮টি শট, যার ২টি ছিল অন-টার্গেট।

এশিয়ান কাপের ‘বি’ গ্রুপে ১ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে চীন দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট থাকলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে শীর্ষে উত্তর কোরিয়া। কোনো পয়েন্ট না পাওয়া বাংলাদেশ আছে তৃতীয় স্থানে আর টেবিলের তলানিতে উজবেকিস্তান।
ক্রিফোস্পোর্টস/৩মার্চ২৬/এনজি
























