
সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনটা বেশ ভালোভাবেই নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। ৪৩৭ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই পাকিস্তানের দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে চাপ তৈরি করেছেন বাংলাদেশের বোলাররা। নাহিদ রানা ও মেহেদি হাসান মিরাজের দারুণ বোলিংয়ে লাঞ্চ বিরতিতে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ২ উইকেটে ১০১ রান।
জয়ের জন্য এখনও পাকিস্তানের প্রয়োজন ৩৩৬ রান। উইকেটে আছেন অধিনায়ক শান মাসুদ ও বাবর আজম। মাসুদ ৪১ এবং বাবর ২৪ রানে অপরাজিত থেকে লাঞ্চ বিরতিতে গেছেন। প্রথম সেশনে পাকিস্তানের হয়ে সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করেছেন শান মাসুদ। শুরু থেকেই দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন তিনি। অন্যদিকে বাবর আজমও ধীরে ধীরে নিজের ইনিংস গড়ার চেষ্টা করেছেন।
দিনের শুরুতে অবশ্য পাকিস্তানকে দ্রুত ধাক্কা দিতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। দলীয় ২৭ রানে প্রথম উইকেট হারায় সফরকারীরা। নাহিদ রানার গতির সামনে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি আব্দুল্লাহ ফজল। তার বলে গালিতে ক্যাচ দেন এই ওপেনার। ৬ রান করে ফিরতে হয় তাকে। দুর্দান্ত ক্যাচটি নেন মেহেদি হাসান মিরাজ।
এরপর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন শান মাসুদ ও আজান আওয়াইস। তবে সেই জুটি বড় হতে দেননি মিরাজ। দলীয় ৪১ রানে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে ফেরেন আজান আওয়াইস। ৪৯ বলে ২১ রান করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল দুটি চার।
দুই উইকেট হারানোর পর পাকিস্তানের রান তোলার গতি কিছুটা কমে গেলেও শান মাসুদ ও বাবর আজম উইকেটে থেকে দলকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তবে ম্যাচের পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি বাংলাদেশের পক্ষেই রয়েছে। কারণ শেষ দুই সেশনে পাকিস্তানকে অনেক বড় পথ পাড়ি দিতে হবে, আর বাংলাদেশের প্রয়োজন নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নেওয়া।
এর আগে তৃতীয় দিনের শেষ বিকেলে দুই ওভার ব্যাটিং করেও কোনো রান তুলতে পারেনি পাকিস্তান। দিনের শুরুতে সেই শূন্য রান নিয়েই আবার ব্যাট করতে নামে তারা।
বাংলাদেশের বড় লিড গড়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল মুশফিকুর রহিমের। তার দারুণ সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রান তোলে স্বাগতিকরা। দুই ইনিংস মিলিয়ে বাংলাদেশের লিড দাঁড়ায় ৪৩৬ রান। ফলে পাকিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৩৭ রান।
ক্রিফোস্পোর্টস/১৯মে২৬/টিএ





















