
সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে টানা তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। আসরের সেমিফাইনালে নেপালের বিপক্ষে এক শ্বাসরুদ্ধকর জয় পেয়েছে বাঘিনীরা। শুরুতে এক গোলে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে সবশেষ দুই আসরের চ্যাম্পিয়নরা।
আজ বুধবার (৩ জুন) গোয়ার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে নারী সাফের প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ ও নেপাল। তবে প্রথমার্ধে বেশ এলোমেলো ফুটবল খেলেছে বাংলাদেশ। ম্যাচ শুরুর পরেই নেপালের একের পর এক আক্রমণে চাপে পড়ে বাঘিনীরা। একাধিক আক্রমণের পর সাফল্যও পেয়ে যায় নেপাল।
ম্যাচের ২৩ মিনিটে লিড নেয় নেপাল। কর্নার থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন গীতা রানী। দীপা শাহির ক্রস থেকে বক্সের ভেতরে বল পেয়ে যান গীতা। এরপর পায়ের টোকা দিয়ে বলটিকে জালে জড়ান তিনি। এর কিছুক্ষণ পরেই ব্যবধানটা ২–০ হতে পারত! ম্যাচের ৩৬ মিনিটে প্রীতি রাজের দূরপাল্লার শট গোলরক্ষক মিলির হাতে লেগে পোস্টে লেগে ফিরে আসে। অল্পের জন্য রক্ষা পায় বাংলাদেশ।
প্রথমার্ধের নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। কর্ণার থেকে দুর্দান্ত এক অলিম্পিক গোলে দলকে সমতায় ফেরান ঋতুপর্ণা চাকমা। কর্ণার থেকে নেওয়া তার নেপালের গোলরক্ষকের হাতে লেগে সরাসরি জালে আঘাত হানে। শেষ পর্যন্ত ১-১ সমতা নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা ভালো ফুটবল খেলেছে বাংলাদেশ। নেপালের আক্রমণের বিপরীতে বাংলাদেশও একের পর এক আক্রমণ চালিয়েছে। বদলি হিসেবে নেমে ম্যাচের ৭৮ মিনিটে সাগরিকার সুযোগ ছিল বাংলাদেশকে এগিয়ে দেওয়ার। কিন্তু তার দুর্দান্ত এক শট ফিরিয়ে দেন নেপালের গোলরক্ষক।

গোলের পর বাংলাদেশের উদযাপন। ছবি- বাফুফে
তবে শেষদিকে এই সাগরিকাই বাংলাদেশকে জয়সূচক গোলটি এনে দেন। ম্যাচের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে বক্সের ভেতরে ডান প্রান্ত থেকে শামসুন্নাহার জুনিয়রের অসাধারণ পাস থেকে গোল করেন সাগরিকা। এরপর এক মিনিট পরেই আবারও লিড বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন সাগরিকা। তবে গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল পোস্টে রাখতে পারেনি এই ফরোয়ার্ড।
শেষদিকে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে নেপাল। তবে বেশকিছু চেষ্টা চালিয়েও আর গোলের দেখা পাননি তারা। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পিটার বাটলারের শিষ্যরা।
ক্রিফোস্পোর্টস/৩জুন২৬/বিটি





















